Friday, August 28, 2009

বিয়ে

১ম বন্ধু : জানিস, বাড়ি থেকে পালিয়ে যেদিন নিশিকে বিয়ে করলাম, ঠিক সেদিনই জুতোর বাড়ি খেতে হল!
২য় বন্ধু : আমার ধারণা, এর পেছনে নিশ্চয়ই নিশির বাবার হাত ছিল!
১ম বন্ধু : না না, হাত নয়! ওটার মধ্যে নিশির বাবার �পা� ছিল!
________________________________________


বিয়ে

জাদরেল উকিল -আপনি বিয়ে করেছেন তো
-আজ্ঞে হ্যা করেছি ।
-কাকে বিয়ে করছেন ?
- এক�একজন মেয়েকে
- রাবিস সেটাও বলতে হয়। কখনো শুনেছো কেউ কোন ছেলেকে বিয়ে করেছে শুনেছো?
- আজ্ঞে হ্যা আমার বোন করেছে ।
________________________________________


প্রস্তাবে রাজী আছেন কিনা

এক ছেলে, তার প্রিয়তমার বাবার কাছে প্রস্তাব দিলো যে সে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায়। মেয়েটার বাবা জিজ্ঞেস করলো,
: আচ্ছা তুমি কি মদ খাও? জুয়া খেলো?
: আংকেল, ওসব পরে হবে, আগে বলুন আপনি প্রস্তাবে রাজী আছেন কিনা!
________________________________________


প্রতিবেশীদের সাথে মামলা

মেয়ের বাবা: এই মাত্র মেয়েটার যে গান শুনলেন, সেজন্য আমার অনেক টাকা খরচ হয়েছে।
পাত্রপক্ষ: প্রতিবেশীদের সাথে মামলা লড়তে হয়েছে বুঝি!
________________________________________


পারফেক্ট মেয়ের খোঁজ

চল্লিশ বছর পার হয়ে গেছে তবু বিয়ে করেনি এক লোক। একদিন একজন এর কারণ জিজ্ঞেস করল।
লোকটি বলল, সারা জীবন আমি একটা পারফেক্ট মেয়ের খোঁজ করছিলাম।
তা একটিও পান নি?
পেয়েছিলাম একটি, কিন্তু সে আবার একটা পারফেক্ট ছেলের অপেক্ষায় ছিল।
________________________________________


জীবনেও বিয়ে করব না

জজ সাহেবঃ যখন এই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিল তখন কি তুমি সেখানে উপস্থিত ছিলে?
সাক্ষীঃ জী হ্যাঁ।
জজ সাহেবঃ তোমার এই ঝগড়া থেকে কি ধারনা হলো?
সাক্ষীঃ হুজুর আমি জীবনেও বিয়ে করব না ।
________________________________________


জানি বলেই তো বিয়ে করি নাই

এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে বলল, তুমি মেয়েদের ব্যাপারে কিভাবে জানবে? তুমি তো বিয়েই কর নাই।
২য় বন্ধুর উত্তর, কি যে বল! মেয়েদের ব্যাপারে জানি বলেই তো বিয়ে করি নাই।
________________________________________


কোন গাধাই বিয়ে করবেনা

প্রেমিক-প্রেমিকা নিজেরাই নিজেদের বিয়ে ঠিক করেছে। ছেলেটা বলল, আমাদের বিয়ের এই খবরটা বিয়ের আগের দিন পযর্ন্ত কাউকে আমরা জানাবো না । খবরটা শুধু বিয়ের আগের দিন আমরা সবাইকে জানাবো এবং এইটা একটা Surprise হবে।

মেয়েটা বলল, আমি শুধু একজনকে এই খবরটা জানাতে চাই।
ছেলে :- কেন?
মেয়ে :- পাশের বাড়ির কালু আমাকে একদিন বলেছিল, কোন গাধাই নাকি আমাকে বিয়ে করবেনা। তাই ওকে জানাতে হবে।

Moja

একশহরে দুই জমজ ভাই ছিল। বব আর জন। বব বিয়ে করেছিল লিসা নামের একটা মেয়েকে। কাকতালীয়ভাবে লিসা নামে জনের একটা ফিসিং বোটও ছিল। আরো কাকতালীয়ভাবে ববের বউ লিসা যেদিন মারা যায় ঠিক সেইদিন জনের নৌকাও ডুবে যায়।

কয়েকদিন পর, শহরের এক বৃদ্ধা মহিলা জনের সাথে দেখা হলো। জন তার নৌকা লিসাকে হারিয়ে খুব একটা দুঃখ পায় নাই। এদিকে মহিলা ভেবেছে এইটা বব। ববের বউ মরায় সে নিশ্চয় কষ্টে আছে।
মহিলা বলল �আহা! কিরে পোলা, লিসার জন্য কষ্ট হয় রে?�
জন বলল, তেমন একটা হয় না।
কি বলিস ছোকরা!
আরে বলবেন না, যেদিন থেকে লিসা আমার হলো- সেদিনই আমি টের পেলাম আসলে লিসা বেশ খারাপ মাল। তার নিচটা বেশ ময়লা- পচা মাছের গন্ধ পেতাম। যেদিন আমি প্রথম তার ওপর উঠলাম- সে ছ্যাড়ছ্যাড় করে পানি ছেড়ে দিল। আমার মনের অবস্থাটা বুঝেন! তার পিছন দিকে তাকালে পরিষ্কারভাবেই একটা খাজ দেখা যেত। আর সামনের দিকের ছিদ্রটা যত দিন যেতে লাগল ততই বড় হতে লাগছিল। তবু তাকে দিয়ে আমার কাজ চলে যাচ্ছিল। কিন্তু শহরের চার যুবক এসে তার জীবন শেষ করে দিল। এই চাইর বদমাশ আসছিল একটু ভালো সময় কাটানোর জন্য। শহরে ভালো কিছু না পেয়ে এরা লিসাকেই পছন্দ করে ফেলল।আমি ত লিসাকে ভাড়া দিতে রাজি না। হাজার হোক লিসা আমার। কিন্তু হারামজাদাগুলা লিসার জন্য আমাকে টাকা সাধতে শুরু করল। আমি জানি লিসার ক্ষমতা নাই একসাথে চারজনকে নেয়ার- কিন্তু ওরা টাকা দিয়ে আমাকে রাজি করিয়ে ফেলল।


একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলে জন বলল, ওরা চারজন একসাথে লিসার ওপর চড়ে বসতেই লিসা শেষ বারের মত পানি ছেড়ে দিয়ে ...... শেষ হয়ে গেলো।
জনের কথা শেষ হতেই বুড়ি মাথা ঘুরে পড়ে গেলো। 
________________________________________


ইংরেজ শাসন আমলের রাজস্থানের মরুভুমিতে একটা দুর্গ। সেইখানে সেনাপতি হয়ে এসেছে জাত্যাভিমানী এক ইংরেজ যুবক। এসেই শুরু করছে হম্বি-তম্বি। এরে ধমকায় ত ওরে মারে। কোনো কিছু তার পছন্দ হয় না। ইন্ডিয়ানদের রুচি নাই। চোর-বাটপার সব কয়টা। প্রথম দিনেই দুর্গ পরিদর্শনের সময় সেনাপতি দেখে একটা উট বাধা। ওই হারামজাদা। উট এইটা কিসের জন্য? একজন কাচুমাচুভাবে বলল " আমরা তিন-চার মাস একটানা দুর্গে থাকি। এইখানে কোনো মেয়ে নাই। সৈনিকরা মাঝে মাঝে খুব একা বোধ করলে এই উট ব্যাবহার করে। " সেনাপতি ত bloody indian দের কথা শুনে থ। শুয়োরের বাচ্চারা উটকে কামে লাগায়...ছি ছি ছি। সে কড়া নির্দেশ দিলো যে এরপর কোনো নেটিভ হারামজাদা উট ব্যাবহার করলে তাকে ঝুলিয়ে পিটানো হবে। যাই হোক তার কড়া শাসনে দুর্গে নিয়ম-শৃংখলা ফিরে আসলো। সবাই সোজা। সব কিছু ঠিকমত চলছে। মাসের পর মাস যাচ্ছে।
এক সময় সেনাপতির একা একা লাগা শুরু করল। শালার একটা মাইয়া দেখি নাই গত চার মাস। আরো এক মাস গেলো। একদিন সকালে সে হুকুম দিলো, শুয়োরের বাচ্চারা, উটটা নিয়ে আয় আমার তাবুতে। কিছুক্ষন ধস্তা-ধস্তি হল। উটের চিৎকার শুনা গেল। এরপর সেনাপতি প্যান্টের চেইন লাগাতে লাগাতে বের হয়ে আসল। বড় বড় চোখ করে bloody indian গুলো তাকিয়ে আছে। এদের দিকে তাকিয়ে সেনাপতি বলল
খারাপ না, তোরাও কি এইভাবেই ব্যাবহার করিস?
না হুজুর। আমরা এইটাতে চড়ে মাইলদুয়েক দুরের একটা শহরে যাই।
________________________________________


মহারানী ক্লিওপেট্রার করোটি

মিসরের একটি পুরোন জিনিসের দোকানে এক পর্যটক ঢুকলেন। দোকানদার এগিয়ে এসে তাঁকে নানান জিনিস দেখাতে লাগল। সামনের একটি শো-কেসে একটি নর করোটি দেখতে পেয়ে পর্যটক জিঞ্জেস করলেন ,এই করোটি কার?এটি মহারানী ক্লিওপেট্রার,সবিনয়ে জানালো দোকানদার । কিছুক্ষন বাদে ঘুরতে-ঘুরতে আর একটি খুলি চোখে পড়ল পর্যটকের। আগেরটির চেযে এই করোটি আকারে সামান্য ছোট। পর্যটক জিঞ্জেস করলেন , এই করোটি কার?দোকান দার বলল এটি মহারানী ক্লিওপেট্রার হুজুর তবে এটা তাঁর ছোটবেলার করোটি।
________________________________________


এক সৈন্য ছুটতে ছুটতে এসে হাজির এক নানের কাছে।

�সিস্টার, আমাকে খুঁজছে এক দুষ্ট পুলিশ। আমাকে বাঁচান!� বললো সে।

�ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন, বাছা! তা আমি কিভাবে তোমাকে সাহায্য করতে পারি?� খোনা গলায় বললেন নান।

�আমি কি আপনার এই ঢোলা আলখাল্লার নিচে লুকাতে পারি?� জানতে চাইলো সৈন্য।

�নিশ্চয়ই।� সায় দিলেন নান। সৈন্য হামাগুড়ি দিয়ে তাঁর আলখাল্লার নিচে ঢুকে পড়লো।

খানিকক্ষণ বাদেই এক পুলিশ ছুটতে ছুটতে এসে হাজির।

�সিস্টার, এদিক দিয়ে কোন সৈন্যকে যেতে দেখেছেন?�

�হ্যাঁ বাছা। সে তো ওদিকে চলে গেলো ছুটতে ছুটতে।�

পুলিশ ধন্যবাদ জানিয়ে নানের দেখানো দিকে ছুটতে ছুটতে চলে গেলো।

আলখাল্লার নিচ থেকে বেরিয়ে সৈন্য বললো, �সিস্টার, আপনি আমাকে বাঁচালেন। আমি যুদ্ধে যেতে চাই না, কিন্তু ব্যাটারা আমাকে জোর করে পাঠাবেই!�

নান বললেন, �ঠিক আছে বাছা, ঈশ্বর তোমার মঙ্গল করুন।�

সৈন্য বললো, �ইয়ে, সিস্টার, একটা কথা আপনাকে বলা দরকার। আলখাল্লার নিচে বসে দেখলাম কি না। দারুণ একজোড়া ঊরু আপনার!�

নান বললেন, �বাছা, আরেকটু ওপরে খেয়াল করলে দারুণ একজোড়া অন্ডকোষও দেখতে পেতে। আমিও যুদ্ধে যেতে চাই না �।�
________________________________________


ভন্ডুল এক মেয়ের সাথে পরিচিত হইছে। অনেকদিন ফস্টিনস্টি করছে। এরপর একদিন রাতে তারা you know what করছে। 
কাজ শেষে ভন্ডুল তৃপ্তির জন্য সিগারেট বের করছে পকেট থেকে। অন্ধকারে লাইটার খুজে পায় না। সো মেয়েটারে জিজ্ঞেস করে ম্যাচ আছে? 
- উপরের ড্রয়ারে দেখ।
ভন্ডুল উপরের ড্রয়ার খুলছে। এক বাকস ম্যাচ। ম্যাচ বাক্সের পাশেই একটা যুবকের ছবি। ভন্ডুল ভয় খাইছে। নোকিয়া করতাছি নাকি?
মেয়েটারে জিজ্ঞেস করে, তোমার জামাইয়ের ছবি?
-নাহ।
ভন্ডুলের নিঃশ্বাস বের হয়। ভন্ডুল একটু হাসে। মেয়েটা উঠে এসে ভন্ডুলের কোমড় জড়িয়ে ধরে। ভন্ডুল সিগারেট ফুকতে ফুকতে বলে
তোমার বয় ফ্রেন্ডের ছবি?
মেয়েটা হাসে। ভন্ডুলের কানের লতিতে ছোট্ট একটা কামড় দিয়ে বলে, আরে এটা আমি! অপারেশনের আগে।
________________________________________


জন রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে। এক পিচ্চি তাকে প্রশ্ন করল - কয়টা বাজে?
পৌনে তিনটা
তিনটা বাজলে আমার পাছায় একটা চুমো দিও। 
এই কথা বলেই পিচ্চি দিয়েছে দৌড়। জন রেগে গিয়ে তার পিছে পিছে দৌড়াচ্ছে।

পথে ববের সাথে ধাক্কা খেল।
বব- কিরে দোস্ত, দৌড়াস কেন?
- আরে হালার পিচ্চি কয় তিনটা বাজলে ওর পাছায় চুমু খেতে...
- এই জন্য দৌড়াচ্ছিস!! এত তাড়াহুড়া কিসের শুনি ???? তিনটা বাজতে এখনো দশ মিনিট বাকি।
________________________________________


একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের খুব ইচ্ছে হল রাজধানীর রাস্তায় একাকী ঘুরে বেড়াবেন। তাই পরদিন খুব ভোরে নিরাপত্তারক্ষীর পোশাক পরে রাস্তায় বেরিয়ে পড়লেন তিনি। সারাদিন রাজধানীর রাস্তায় ঘুরে ঘুরে অবশেষে ক্লান্ত হয়ে রাস্তায় বসে পড়লেন প্রেসিডেন্ট। ভাবলেন এবার ফেরা দরকার। কিন্তু এতদূর থেকে হেঁটে বাসভবনে ফেরা সম্ভব না। তাই রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ট্যাক্সির জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন তিনি। কিছুক্ষণ পর একটি ট্যাক্সি এসে তার সামনে দাঁড়াল। প্রেসিডেন্ট দরজা খুলে আসনে বসতেই ট্যাক্সি চলতে শুরু করল। কিন্তু প্রেসিডেন্টের আজ ইচ্ছে পূরণের দিন। তাই তার খুব ইচ্ছে হল গাড়ি চালানোর। এদিকে যতই ছদ্মবেশে থাকুন না কেন, ট্যাক্সিচালক প্রেসিডেন্টকে চিনে ফেললেন। তাই প্রেসিডেন্ট যখন গাড়ি চালানোর কথা জানালেন, চালক কথা না বাড়িয়ে হুইল ছেড়ে দিয়ে পেছনের আসনে গিয়ে বসলেন। চালকের আসনে বসে প্রেসিডেন্ট তার বাসভবনের দিকে গাড়ি চালাতে শুরু করলেন। ধীরে ধীরে গাড়ির গতি বাড়তে লাগল। প্রেসিডেন্ট ভবনের কাছাকাছি আসার পর প্রেসিডেন্ট তার ছদ্মবেশ খুলে ফেললেন। আরও কিছুদূর যাওয়ার পর এক ট্রাফিক সার্জেন্ট অবাক বিস্ময়ে ঘটনাটি দেখলেন এবং সদর দফতরে ফোন করলেন। 
হ্যালো, হেডকোয়ার্টারঃ
হ্যালোঃগতিসীমা অতিক্রম করে একটি ট্যাক্সি প্রেসিডেন্ট ভবনের দিকে যাচ্ছে।
�তাই নাকি? তাহলে গাড়িটাকে থামাচ্ছ না কেন?�
�না স্যার, ভেতরে যে ছিল সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।�
খুবই গুরুত্বপূর্ণ! কে সে? মেয়র নাকি?�
�না, মেয়রের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ।�
�তাহলে কে তিনি? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী!!�
�না না তার চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ কেউ। একেবারে টপ লেভেল ভিভিআইপি।�
�তাহলে কি তিনি মি. প্রেসিডেন্ট।�
�তার চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি!�
এবার অপর প্রান্তে বেশ কিছুক্ষণের নিস্তব্ধতার পর প্রশ্ন এল �তুমি কি আমার সঙ্গে ফাজলামো করছ? প্রেসিডেন্টের চাইতে গুর�ত্বপূর্ণ আবার কে?�
ট্রাফিক সার্জেন্ট বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উত্তর দিল, �না আমি ফাজলামো করছি না। আর আমি তার পরিচয়টাও জানি না। তবে আমি নিশ্চিত হয়েছি যে, তিনি প্রেসিডেন্টের চাইতেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রেসিডেন্ট নিজেই গাড়ি চালিয়ে তাকে নিয়ে যাচ্ছেন।
________________________________________


দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথোন :
-- শ্রম শিবির নাকি দারুন জায়গা ? লোকজন নাকি খুব ভালো থাকে সেখানে ?
-- মনে হয় তা-ই ।কারন আমার এক পরিচিত ব্যক্তি এ ব্যাপারে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল ।তাই তাকে স্বচক্ষে সেখানকার ব্যাপার স্যাপার দেখানোর জন্য কেজিবি নিয়ে গিয়েছিল। সেই যে গেছে, আজও সে ফেরেনি ।মনে হয় খুব পছন্দ হয়েছে শ্রম শিবির । 
________________________________________


কেজিবির এক কর্মীর সঙ্গে দেখা তার প্রতিবেশীর ।
-- শুভ সন্ধ্যা, বলল প্রতিবেশী
-- সন্ধ্যা মানে ? এই ভর দুপুরে বলছেন শুভ সন্ধ্যা !
-- খুবই দুঃখিত ।কিন্তু কি করব বলুন ? আপনাকে দেখলেই আমার চারপাশে সব কেমন অন্ধকার হয়ে যায় । 
________________________________________


মস্কো শহরে ট্রামের জন্য অপেক্ষমান দুই ব্যক্তির মধ্যে হাল্কা কথাবার্তা চলছে ।এক জন বলল,
-- পাউডার ও সরকারের মধ্যে তফাত কি বলতে পারেন?
-- না
-- পাউডার মুখে মাখে, আর সরকারকে কেউ কোথাও ঠেকাতে চায় না ।
ট্রাম এসে পড়ল ।এবার প্রশ্ন করল দ্বিতীয় ব্যক্তি,
-- ট্রাম এবং আপনার মধ্যে পার্থক্য কি বলতে পারেন ?
-- না
-- ট্রাম এখন চলে যাবে নিজের পথে, আর আপনি যাবেন আমার সঙ্গে কেজিবির অফিসে ।
-- কিন্তু আমি তো সরকার বলতে আমেরিকান সরকারকে বোঝাতে চেয়েছি ।
-- বাজে কথা রাখুন ।যে সরকারকে কোথাও ঠেকাতে ইচ্ছে হয় না তা নির্ঘাৎ আমাদেরটা ।

ছাত্র-শিক্ষক

বড় হয়ে আমি যা হতে চাই� রচনা লিখতে দিয়েছেন শিক্ষক। তিনি হঠাৎ খেয়াল করলেন, সবাই লিখলেও একটা ছেলে চুপচাপ বসে আছে।
শিক্ষক : কী ব্যাপার? তুমি কিছু লিখছ না কেন?
ছাত্র : আমারটা আমার পিএস লিখবে, স্যার।
শিক্ষক : মানে।
ছাত্র : মানে স্যার, আমি বড় হয়ে মন্ত্রী হতে চাই। আর মন্ত্রীদের সব বক্তব্যই তো তাদের পিএসরা লিখে দেন। 
________________________________________


ম্যাডাম সাহিত্যের ক্লাসে টেস্ট নিতে গিয়ে ছাত্রদের বললেন, তোমরা এমন একটা ছোট গল্প লেখ, যাতে একই সংগে রহস্য, যৌনতা, রাজকীয়তা, ধর্মীয় আবেশ সবই থাকে। সময় ২০ মিনিট।

২ মিনিট যেতে না যেতেই একজন হাত তুলে বললো, ম্যাডাম আমার শেষ এত কম সময়ে শেষ দেখে ম্যাডাম তো রীতিমত অবাক।

ম্যাডাম: যে চারটা বিষয় বলেছিলাম তার সবগুলো তোমার গল্পে আছে তো?
ছাত্র: জ্বী ম্যাডাম।
ম্যাডাম:তোমার গল্প পড়ে শোনাও দেখি।
ছাত্র: ওহ আল্লাহ, রাজকুমারী আবার প্রেগন্যান্ট! কে করলো আকামটা!!! 
________________________________________


শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের বলছেন কে কি হতে চায় ভবিষ্যতে-
রানা: আমি পাইলট হতে চাই।
সুমিত: আমি ডাক্তার হতে চাই।
দীপা: আমি একজন ভালো মা হতে চাই।
সুমন: আমি দীপাকে সাহায্য করতে চাই। 
________________________________________


শিক্ষকঃ বল ফোর্ড কি?
ছাত্রঃ গাড়ী স্যার।
শিক্ষকঃ তাহলে বল, অক্সফোর্ড কি?
ছাত্রঃ উঁ...ঊঁ...গরুর গাড়ী স্যার। 
________________________________________


শিক্ষকঃ ধ্রুব, বলতো এসিসি (ACC) তে কী হয়?
ধ্রুবঃ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল।
শিক্ষকঃ ভালো । এবার অয়ন বলতো বিবি (BB) তে কী হয়?
অয়নঃ বাংলাদেশ ব্যাংক, স্যার।
শিক্ষকঃ খুব ভাল , নন্দদুলাল তুমি এবার বলতো ইএসপিএন (ESPN)-এ কী হয়?
নন্দদুলালঃ সারা দিন শুধূ খেলা হয়, স্যার। 
________________________________________


বাচ্চাদের স্কুলের টিচার মিস তানিয়া একদিন ছুটির পর ছোট্ট বাবুকে দাঁড় করালেন।
এক মিনিট দাঁড়াও ছোট্ট বাবু। চশমার ওপর দিয়ে চাইলেন তিনি। তোমার হোমওয়র্ক তো খুব খারাপ হচ্ছে কদিন ধরে। তোমার কি কোন সমস্যা হচ্ছে?
ছোট্ট বাবু মাথা ঝোঁকালো। জ্বি টিচার। আমি প্রেমে পড়েছি।
মিস তানিয়া মিষ্টি হাসলেন। কার প্রেমে পড়েছো?
আপনার, মিস তানিয়া। আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই।
কিন্তু ছোট্ট বাবু, নরম গলায় বললেন মিস তানিয়া, ভেবে দ্যাখো ব্যাপারটা কেমন বোকাটে হবে? নিশ্চয়ই আমি একদিন কাউকে স্বামী হিসেবে চাইবো � কিন্তু আমি তো কোন বাচ্চা চাই না।

ভয় পাবেন না মিস। আশ্বাস দিলো বাবু। সেক্ষেত্রে আমি কনডম ব্যবহার করবো।
________________________________________

ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলছে, টিচার টিচার, আমার আম্মু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?
টিচার বললেন, তোমার আম্মুর বয়স কত সোনা?
পিচ্চি বললো, চল্লিশ।
টিচার বললেন, হ্যাঁ, তোমার আম্মু প্রেগন্যান্ট হতে পারবেন।
পিচ্চি এবার বললো, আমার আপু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?
টিচার বললেন, তোমার আপুর বয়স কত সোনা?
পিচ্চি বললো, আঠারো।
টিচার বললেন, হ্যাঁ, তোমার আপু প্রেগন্যান্ট হতে পারবে।
পিচ্চি এবার বললো, আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো?
টিচার হেসে বললেন, তোমার বয়স কত সোনা?
পিচ্চি বললো, আট।
টিচার বললেন, না সোনা, তুমি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে না।
এ কথা শোনার পর পেছন থেকে ছোট্ট বাবু পিচ্চিকে খোঁচা দিয়ে বললো, শুনলে তো? আমি তো তখনই বলেছি, আমাদের চিন্তা করার কিছু নেই।
________________________________________


প্রফেসর শেষ ক্লাসে ঘোষণা করলেন, পরশু পরীক্ষা। কেউ কোনও অজুহাত দিয়ে পার পাবেন না। তবে নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু কিংবা মারাত্মক শারীরিক অসুস্থতা হলে ভিন্ন কথা।
পেছন থেকে এক ফাজিল ছোকরা বললো, মাত্রাতিরিক্ত সেক্সজনিত ক্লান্তি হলে কি চলবে স্যার?
ক্লাসে হাসির হুল্লোড় পড়ে গেলো। শব্দ থামার পর প্রফেসর বললেন, উহুঁ, সেক্ষেত্রে তুমি অন্য হাতে লিখবে। 
________________________________________


এক শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদের জিজ্ঞেস করেন - এমন জিনিষের নাম বল তো যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিতি হয় ।
ছাত্র- চুল
শিক্ষক - কিভাবে ?
ছাত্র- মাথায় আমরা বলি চুল , চোখের উপরে থাকলে বলি ভ্রু, ঠোটের উপরে থাকলে বলি গোফ , গালে ও চিবুকে থাকলে বলি দাড়ি । বুকে থাকলে বলি লোম এবং ......
শিক্ষক- সাবধান আর নিচে নামিস না �
________________________________________


অংকের ক্লাস চলছে
শিক্ষক : বল তো, আমাদের অংক ক্লাসে সবচেয়ে ফাঁকিবাজ কে?
ছাত্র : আপনি স্যার।
শিক্ষক : কী বলছিস?
ছাত্র : আমরা যখন অংক করি তখন তো আপনি হাত গুটিয়ে বসে থাকেন। 
________________________________________


শিক্ষক : বাতাস, নদী এবং পানি এই তিনটির যে কোন একটি ওপর ২০ লাইন রচনা লিখ।
ছাত্র : এসব কি বলছেন স্যার? আমি তো কাগজের ওপর ছাড়া অন্য কারও ওপর লিখতে পারি না, স্যার!!! 
________________________________________


শিক্ষক: বল, আকবরের জীবনকাল কত সাল থেকে কত সাল পর্যন্ত?
ছাত্র: পারিনা স্যার। এটা বইয়ে নেই।

শিক্ষক বই খুললেন, সেখানে লেখা---আকবর (১৫৪২-১৬০৫)
ছাত্র: স্যার, আমি ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। 
________________________________________



যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে.......
শিক্ষকঃ আমি এই চেয়ারটাকে ছুলাম। চেয়ারটা মাটি ছুয়েছে। তারমানে আমি মাটি ছুয়েছি। এবার এরকম আরেকটা উদাহরণ দাও দেখি।
ছাত্রঃ আমি আপনাকে ভালবাসি। আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন। তারমানে আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি। 
________________________________________

আলাল দুলালকে জিজ্ঞেস করছে, "কিরে, তুই নাকি গতকালকে সবার সামনে স্বীকার করেছিস তুই গাধা"
দুলাল বলল, "না, স্যার ক্লাসে এসে বললো কে কে গাধা দাড়াও?"
আলাল, "তারপর?"
দুলাল, "স্যার একা দাড়িয়ে ছিলোতো তাই ভালো দেখাচ্ছিলো না। তাই আমিও দাঁড়ালাম। 
________________________________________


শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন.....
শিক্ষকঃ আচ্ছা, বলতো Grammar কাকে বলে?
–ছাত্রঃ যারা গ্রামে থাকে তাদেরকে Grammar বলে। বাংলাদেশের গ্রামে
যারা থাকে তাদেরকে বাংলা Grammar এবং বিদেশের গ্রামে যারা থাকে তাদেরকে ইংলিশ Grammar বলে, স্যার। 
________________________________________


একদিন এক বিদ্যালয়ে শিক্ষক তার ছাত্র-ছাত্রীদের গরু আঁকতে দিলেন। সবাই গরু এঁকে খাতা জমা দিল। এক ছেলে জমা দিল একটা খালি কাগজ।
শিক্ষক কাগজটা দেখে বলল, "এটা কি এঁকেছিস?"
ছাত্র বলল, "স্যার, ঘাস এঁকেছিলাম।"
শিক্ষক বলল, "ঘাস কই?"
ছাত্র বলল, "স্যার, গরুতে খেয়ে ফেলেছে।"
শিক্ষক বলল, "তাহলে গরু কই?"
ছাত্র বলল, "স্যার, গরুতো ঘাস খেয়ে চলে গেছে।" 
________________________________________


ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে সুন্দরী শিক্ষিকা চাকুরিতে যোগ দিলেন। পড়াতে গিয়েই টের পেলেন,যুগের ছেলেরা পাল্টেছে, অতি স্মার্ট ডিজুস পোলাপান নিয়ে ম্যাডামের বেকায়দা অবস্থা। প্রথম গ্রেডে সদ্য ভর্তি হওয়া রাজু তো বলেই বসলো, ম্যাডাম,আমি কোনো অবস্থাতেই প্রথম গ্রেডে পড়বোনা। কারণ,প্রথম গ্রেডের সব পড়ালিখা আমি অনেক আগেই শেষ করে ফেলেছি। এমনকি আমার বড় বোন যে ৩য় গ্রেডে পড়ে ,আমি ওর চেয়ে ও স্মার্ট।কাজেই মিনিমাম ,আপনি আমাকে ৩য় গ্রেডে পড়ার সুযোগ করে দিন।
ম্যাডাম,রাজুকে নিয়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমে গেলেন।সব খুলে বললেন।
প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, ঠিক আছে,আমি তোমাকে দুয়েক টা প্রশ্ন করবো, যদি তুমি ঠিক ঠিক উত্তর দিতে পারো ,তবে তোমাকে উপরের ক্লাশে প্রমোশন দেয়া হবে।
প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, আচ্ছা বলতো রাজু, ৩ গুন ৩ = কত?
রাজুর জটপট জবাব, স্যার , নয়।

আচ্ছা বলতো ৮ গুন ৮ সমান কত?
এবারও রাজুর জবাব স্যার ৬৪।
প্রিন্সিপাল স্যার ম্যাডামকে বললেন, রাজুকে উপরের ক্লাসে প্রমোশন দেয়া যায়।

রুপবতি ম্যাডাম এবার প্রিন্সিপাল স্যার কে বললেন, স্যার আমারও কিছু প্রশ্ন ছিলো, যদি আপনি অনুমতি দেন,আমিও একটু ওর মেধা যাচাই করি।
প্রিন্সিপাল স্যার এবার মাথা নেড়ে সায় দিলেন।

ম্যাডাম ,রাজুকে প্রথম প্রশ্ন করলেন-আচ্ছা রাজু বলতো,গাভীর চারটা আছে,কিন্ত আমার আছে দুটো। সে টা কি?
রাজু চুপচাপ চিন্তা করছে,আর মিটিমিটি হাসছে।
ম্যাডাম বললেন,লজ্জা পাবার দরকার নেই রাজু। তুমি সঠিক জবাব দিও।
রাজু বললো, ম্যাডাম,এটা হলো-আপনার দুই পা।

ম্যাডাম এবার ২য় প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা এবার বলতো, তোমার প্যান্টের ও জায়গায় আছে,আর আমার তা নেই সেটা কি?
রাজু লাজে হাসে।
ম্যাডাম বলেন,লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই রাজু।
রাজু বলেন,ম্যাডাম এটা হলো,আমার প্যান্টের পকেট।

ম্যাডামের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা, বলতো,এমন একটি শব্দ যা ইংরেজে লেটার
C দিয়ে শুর আর T দিয়ে শেষ। জিনিসটা গোলাকার,ডিলিশাস,ভেতরে ভেজা ভেজা, আর নরম,যা পেলে সবাই তৃপ্ত হয়।
প্রশ্ন শুনে প্রিন্সিপাল স্যারের চোখ বড় বড় হয়ে গেলো।কি বলবেন ভেবে পাচ্ছেন না।চেহারা পুরো লাল হয়ে গেছে।
রাজ বললো, ম্যাডাম এটা হলো Cocunut.

ম্যাডের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা এবার বলোতো, যা খুব শক্ত হয়ে কারো ভিতরে ঢুকে,আর নরম,ভেজা,আঠালো হয়ে বের হয়ে আসে?
রাজুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো বাবল গাম।

ম্যাডামঃআচ্ছা এবার বলোতো, কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যে শব্দ শুনলেই শরীরে যথেষ্ট উত্তাপ আর উত্তেজনা শুরু হয়-
এ প্রশ্ন শুনে প্রিন্সপাল স্যারের আবারো, লজ্জাকর অবস্থা ।
কিন্ত রাজুর উত্তর ,ম্যাডাম এটা হলো Fire Truck.

ম্যাডামঃ বলোতো কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যা মানুষ না পেলে হাত ব্যবহার করে।
রাজুর জবাব-ম্যাডাম এটা হলো-Fork.

ম্যাডামঃ রাজু বলতো সোনা,এ জিনিসটা কারো লম্বা, আবার কারো ছোট, একেক জনের একেক সাইজের হয়।বিয়ে করার পর জামাই আদর করে বউকে দিয়ে থাকে।
রাজুর জবাব--ম্যাডাম এটা হলো ডাকনাম।

ম্যাডামঃ রাজু বলতো এটা পুরুষের শরীরে কোন অংশ যেখানে কোনো হাড় নেই,তবে অনেক শিরা আছে,এক রকমের মাংসপিন্ডের সমষ্টি,উত্তেজনাকর অবস্থায় বেশী অনুভূত হয়।বিশেষ করে যা দিয়ে ভালোবাসা বাসি বুঝা যায়।
রাজুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো হার্ট বা হৃদয়।

শুনার পর প্রিন্সিপাল স্যার যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। ম্যাডাম কে বললেন ওকে ৮ গ্রেডেই প্রমোশন দেয়া হোক। কারণ শেষের কয়েকটি প্রশ্নের জবাব আমি নিজেই ভুল করেছি। 

নেতা

শুধু বিলই পাস করমু

এক নেতা যখন ভোটে দাঁড়ালেন, প্রচুর পোস্টার ছাপালেন। প্রেসের লোক এসে বলল, স্যার, এত পোস্টার ছাপালেন, বিলটা তো পাইলাম না। নেতা বললেন, খাড়াও মিয়া, খালি সংসদে যাই, তারপর তো শুধু বিলই পাস করমু।
________________________________________


নেতা: কথা দেন, আমারে ভোট দিবেন৷
ভোটার: আরেকজনেরে যে কথা দিয়া ফেলছি৷
নেতা: আরেকজনরে কথা দিলেই যে আরেকজনরে ভোট দিতে হবে, তা তো না৷
ভোটার: তাইলে আপনারেও কথা দিলাম৷

Valobasa

এক ডেপো ছোকরা একজন কন্যার পিতার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন স্যার প্রেম জিনিসটা কেমন ?
কন্যার পিতাঃ প্রেম হলো স্বর্গীয় জিনিস, এর স্বাদ যে জীবনে পায়নি তাকে ঘৃনা করি।
ছোকরাঃ আমি আপনার মেয়েকে ভালোবাসি। 
________________________________________


ডন ঘরে ঢুকতেই দেখলো তার স্ত্রী জিমির সাথে শুয়ে আছে | সে জিমিকে বললো, বাস্টার্ড সাহস থাকে তো আয় দুটো পিস্তল নিয়ে ডুয়েল লড়ি | যে জিতবে লিন্ডা তার হবে | বলে জিমিকে নিয়ে পাশের ঘরে চলে গেল | পাশের ঘরে ডুয়েল যাবার সময় জিমি বললো, ডন কেন মিছিমিছি আমাদের মাঝে একজন মরবো, তারচেয়ে বরং দুজনেই মরার ভান করে শুয়ে থাকি, লিন্ডা যাকে নিয়ে কাদঁবে, লিন্ডা তার হবে | বলে দুজনে মটকা মেরে শুয়ে পরল এবং দুটি গুলির আওয়াজ করল | ডনের স্ত্রী ঘরে ঢুকে দেখল দুজনেই মরে পড়ে আছে | সে তখন খাটের তলা থেকে তার আরেক প্রেমিক মাইকেলকে ডেকে বললো মাইকেল চলো এসো, এরা দুজনেই মরেছে, আর কোনো বাঁধা নেই | 
________________________________________


আমেরিকার এক প্রেমিক তার প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ করলো। সময় মত মধ্যরাত্রিতে সে মই বেয়ে প্রেমিকার জানালা পর্যন্ত উঠলো। জানালার কাঁচে টোকা দিল প্রেমিক।
মেয়েটি ভয়ে ভয়ে জানালা খুললো। ছেলেটি জিজ্ঞেস করল, "তুমি তৈরী?" মেয়েটি বলল, হুশশশ! আমার ভয় করছে, বাবা যদি আমাদের ধরে ফেলেন।
ছেলেটি নির্বিকার ভাবে বলল, তাতে কি? তিনিতো নিচে আমার মই ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। 
________________________________________


প্রেমিকাঃ তুমি আমার জন্য তাজা ফুল না এনে প্লাস্টিকের ফুল কেন এনেছ???

প্রেমিকঃতাজা ফুল বেশি সময় তাজা থাকে না | তোমার জন্য নিচে অপেহ্মা করতে করতেই ওই ফুল শুকিয়ে যায় |
________________________________________


এক লোকের গরু হারিয়ে গেছে- কোথাও সে খুজেঁ পাচ্ছেনা,
খুজঁতে খুজঁতে ক্লান্ত হয়ে পার্কের এক কোনায় এসে বিশ্রাম করছে।
পার্কের অপর এক কোণে বসে 'কপত কপতি আলাপ আলোচনায় বিভোর,

কপত কপতিকে বলছে - আমি তোমার চোখে চোখ রাখলে পুরো পৃথিবীটাকেই দেখি।

এমন সময় পাশে বসে থাকা গরু হারানো লোকটি উঠে এসে বলে - আমি আমার গরুটা খুঁজে পাচ্ছিনা, ভাই দয়া করে ওনার চোখে চোখ রেখে খুঁজে দেখে বলুন তো আমার গরুটা কোথায় আছে। 
________________________________________


নরক সত্যিই আছে 
শোভা� বুঝলি সোমা,আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি অয়নকে বিয়ে করব না।

সোমা� সে-কি-রে,পাঁচ বছর ধরে প্রেম করলি,এখন বিয়ে করবি না কেন?

শোভা� জানিস,অয়ন একেবারে নাস্তিক।

সোমা� ও নাস্তিক তাতে তোর কি,তুই তো আর নাস্তিক নোস।

শোভা� ও নরক আছে বলে বিশ্বাস করে না।ভয়ানক ব্যাপার নয়?

সোমা� ঘাবড়াচ্ছিস কেন,বিয়েটা হতে দে।কয়েকদিনের মধ্যেই বাছাধন বুঝে যাবেযে,নরক সত্যিই আছে 
________________________________________


১টি ছেলে ও ১টি মেয়ের মাঝে গভীর প্রেম ছিল। ছেলেটি একবার হাত কেটে রক্ত দিয়ে মেয়েটিকে চিঠি লিখেছিল। কিছুদিন পর তাদের ভালবাসা নষ্ট হল। তো যার কাছে যার দেনা পাওনা ছিল মিটিয়ে নিচ্ছিল।

সব শেষে ছেলেটি বললো আমার রক্ত ফেরত দে, মেয়েটি সাথে সাথে তার সালোয়ারের নিচ থেকে ১টা ন্যাপকিন বের করে ছেলেটির হাতে দিয়ে বললো নে শালা তোর রক্ত কিস্তিতে শোধ দেব!!! 
________________________________________


এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে,
: আমার যা কিছু আছে সব তোমার।
প্রেমিক দারুন অবাক হয়ে,
: তোমার কি মাথা খারাপ? এই সালোয়ার-কামিজ দিয়ে আমি কি করব? আমি পুরুষমানুষ না? 
________________________________________


প্রেমিক প্রেমিকার কথোপকথন-
: বলো তো পৃথিবীর প্রথম প্রেমিক প্রেমিকা কে?
: আদম আর ইভ।
: গুড। এবার বলো তো ইভ আদমকে প্রথম কোন কথাটি বলেছিলো?
: এটা বেশ শক্ত।
: ভেরি গুড; এটাও পেরেছ। 
________________________________________


প্রেম চলাকালীন সময়ে প্রেমিকা প্রেমিককে বলল, এত জোরে না সোনা , প্লিজ। আমার হার্ট দুর্বল।
প্রেমিক আশ্বস্ত করল, ভয় পেও না, এটা অতদূর যাবে না। 
________________________________________


: এইবার ভ্যালেন্টাইনেও দেখলাম একা একা ঘুরে বেড়াচ্ছিস ? তোর একটা গার্লফ্রেন্ড ছিল যে সে কই?
: আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে।
: কেন কেন... তোদের তো কঠিন ভালোবাসা ছিল। সুখের ঘরে দুঃখের আগুন লাগাইল কে?
: আর বইলেন না , ও একদিন কাপড় পাল্টানোর সময় আমি দুর্ঘটনাবশত ওর ঘরে ঢুকে পড়ি।এরপরই আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।
: কেন তুই সব দেইখা ফেলছিস বইলা?
: আরে না আমি নিজের চোখ ঢেকে ফেলেছিলাম বলে। 
________________________________________


: কিরে তোর চশমা ভাঙ্গল কিভাবে?
: আর বলিস না। ওকে চুমু খেতে গিয়েছিলাম।
: কি আশ্চর্য ! চুমু খেলে চশমা ভাঙ্গে নাকি?
: না ইয়ে মানে...ও হঠাৎ দুই উরু দিয়ে চাপ দিল তো... 
________________________________________


জরিনার বাবা জরিনার জন্য পাত্র ঠিক করেছে। এদিকে জরিনার সাথে পাভেলের ৫ বছরের অ্যাফেয়ার। এটা বাবাকে জানাতেই জরিনার সুইট বাবা নিমিষেই টিপিক্যালি #বাবা কেন ভিলেন?# টাইপ আচরণ শুরু করল। এটা নিয়ে বাবা মেয়েতে তুমুল ঝগড়া। খাওয়া বন্ধ, মুখ দেখাদেখি বন্ধ ইত্যাদি মোটামুটি শেষ হবার পর অবশেষে তারা একটা ঐক্যমতে পৌছাল। ঠিক হল নদীর অপরপাড় থেকে পাভেল ও বাবার ঠিক করা পাত্র দুজনেই সাঁতার কেটে এপারে আসবে। যে আগে আসতে পারবে জরিনা তারই হবে।
যথাসময়ে প্রতিযোগিতা শুরু হল। শুরুতে দেখা গেল বাবার ঠিক করা পাত্রটি এগিয়ে গেছে। জরিনা তো ভয়ে আধমরা কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে পাভেল তাকে ধরে ফেলল। জরিনা খুশিতে হাততালি দিচ্ছে আর চিৎকার করে উৎসাহ দিচ্ছে পাভেলকে। একপর্যায়ে প্রেমিকের শক্তি আরো বাড়ানো এবং উৎসাহ দেওয়ার জন্য একপর্যায়ে নদীর তীরে দাঁড়িয়ে তার সব কাপড়চোপড় খুলে ফেলল।এরপর হঠাৎ করে পাভেলের সাঁতারের গতি বেড়ে গেলেও তা আস্তে আস্তে কমে পাড়ের কাছাকাছি এসে একেবারেই থেমে গেল।বাবার ঠিক করা পাত্রটি জিতে গেল প্রতিযোগিতায়। পরে আনেক কষ্টে পাভেল পাড়ে ওঠার পর জরিনা রেগেমেগে বলল, তোমাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য এতকিছু করলাম তাও জিততে পারলে না। ছিঃ, কাপুরুষ কোথাকার।
পাভের ও সমান তেজে জবাব দিল সব দোষ তোমার, কে বলেছিল তোমাকে কাপড় খুলতে ? তুমি কাপড় খোলার পরপরইতো আমার প্রাইভেট পার্ট নদীর তলদেশের লতাগুল্মের সাথে আটকে যেতে লাগল। 
________________________________________


প্রেমিকাঃ তুমি কি আমায় ভালোবাস?
প্রেমিকঃ বিশ্বাস না হলে পরীক্ষা করো?
প্রেমিকাঃ ধরো তোমার সার্টের পকেটে মাত্র বিশ টাকা আছে, তা থেকে আমি পনের টাকা চাইলাম, তুমি দিতে পারবে?

জরুরি টাকাটায় প্রেমিকা চোখ পরেছে দেখে, বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বললো, কেনো পারবো না, একশবার পারবো | তবে পরীক্ষা তারিখটা একটু পিছানো যায় না |
________________________________________


প্রেমিক : তোমার প্রেমে পড়ার পর থেকে আমি কিছুই খেতে পারছি না। পরতে পারছি না ,কিছুই করতে পারছি না।
প্রেমিকা : তুমি আমাকে এতই ভালোবাস?
প্রেমিক : না তা নয়। আসলে তোমার পেছনে খরচ করে আমি দেউলিয়া হয়ে গেছি। 
________________________________________


ভ্যালেন্টাইনের প্রথম প্রহরে অর্থাৎ রাত বারটায় প্রেমিক-প্রেমিকার ফোনালাপ-
:বিশ্বাস কর লক্ষিটি আমি শুধু তোমাকেই ভালবাসি।
আপরপ্রান্তে অবিশ্বাসমাখা কন্ঠে...
:সত্যি বলছো তো? তাহলে বলো তো কে আমি?
:না ইয়ে মানে আননোন নাম্বার থেকে করেছো তো তাই চিনতে পারছি না। তাই বলে আবার রাগ কোরো না প্লিজ তোমার গলা তো আমার যুগ যুগ ধরে চেনা। 
________________________________________


এত কিছুর পর আমাদের কে আর বিয়ে করবে

বহুদিন ধরে ছেলে আর মেয়েটি দেখা করছে। সম্পর্ক বেশ অন্তরঙ্গ পর্যায়ে পৌঁছেছে। কিন্তু ছেলেটি বিয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেই না। শেষ পর্যন্ত মেয়েটি বলল, তোমার কি মনে হয় না, আমাদের বিয়ে করার সময় হয়েছে?
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে ছেলেটি বলল, এত কিছুর পর আমাদের কে আর বিয়ে করবে, বলো?

সরদারকে

আইজ যাইতেছি ওয়াটার কিংডমে

একবার এক ট্র্যাফিক পুলিশ দেখে কী একটা অদ্ভুত জন্তুর পিঠে এক সর্দারজী বইসা মনের সুখে হেইলা দুইলা আইতেছে । পুলিশের কাছে আইসা সর্দারজী কয়, ওস্তাদ, এই জানোয়ারের জাত কী মামা?
এইটারে কয় জলহস্তী, তুমি এইটার পিঠে চড়লা ক্যামনে?
জলহস্তী? আমি ভাবছি এইটা বোধহয় স্থল-মহিষ । বাচপান কালে কতো চড়াইসি বাপের বাথানে! আমি হের নাম দিসি কাল্লু !
তুমি শিগগির এইটারে চিড়িয়াখানায় রাইখা আসো । নাইলে খবর আছে!
ঠিক হ্যায়, ওস্তাদ । অ্যাই কাল্লু! হ্যাট ! হ্যাট হ্যাট! চল্, চিড়িয়াখানায় যাই!
পরের দিন সেই পুলিশ দেখে ঠিক সেই সর্দারজী, ঠিক সেই কাল্লু থুক্কু জলহস্তীর পিঠে মহা আয়েশ কইরা আসতেছে ।
সর্দারের পো! তোমারে না গতকাল কইছি জানোয়ারটারে নিয়া চিড়িয়াখানায় যাইতে?
গেছিলাম তো ! কাল্লুর খুব পছন্দ হইছিল । আইজ যাইতেছি ওয়াটার কিংডমে ! অ্যাই কাল্লু! হ্যাট! হ্যাট! হ্যাট! 
________________________________________


চার সর্দারজীর গল্প

তারা সিদ্ধান্ত নিল একসঙ্গে ব্যবসা করবে। কী ব্যবসা করা যায়? অনেক ভেবে তারা একটি মোটর গ্যারেজ দিল। কিন্তু এক মাস চলে গেল, কোনো কাজ নেই। কেন বলুন তো?
কেন?
কারণ তারা গ্যারেজটা দিয়েছে ছয় তলায়। মানুষ কি গাড়ি নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠবে?
এরপর তারা এ ব্যবসা বাদ দিয়ে নতুন ব্যবসার কথা চিন্তা করল। তারা একটি ট্যাক্সিক্যাব কিনে রাস্তায় নামাল। দিন যায় কিন্তু কোনো যাত্রী ওঠে না। কেন বলুন তো?
কেন?
কারণ, তারা চারজনই গাড়িতে উঠে বসে থাকে। যাত্রী বসবে কোথায়?
চারজনই মহা উত্তেজিত। তারা ঠিক করল, এই গাড়ি সমুদ্রে ফেলে দেবে। গাড়ি নিয়ে যাওয়া হলো সমুদ্রপারে। গাড়ি ঠেলছে কিন্তু কিছুতেই ফেলতে পারছে না। কেন বলুন তো?
কেন?
কারণ, দুজন ঠেলছে পেছন থেকে, দুজন সামনে থেকে।
________________________________________


বান্তা সিং একবার লটারির টিকিট কিনে জিতেছে। নির্দিষ্ট দিনে পুরস্কারের টাকা নিতে লটারি অফিসে গেল সে। লটারি অফিসের স্মার্ট কর্মকর্তাটি খুব বিনীতভাবে বান্তা সিংকে বুঝিয়ে বললেন, �আপনি এক কোটি টাকার পুরস্কার জিতেছেন। তো এবার আমাদের নিয়মানুযায়ী সরকারের ট্যাক্স পরিশোধ করে আপনাকে পুরো টাকাটা নিতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা আপনাকে ৫০ লাখ টাকা দিচ্ছি। এ টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা ট্যাক্স পরিশোধ করে ছাড়পত্র এনে দেখালেই আমরা বাকি টাকা আপনাকে দিয়ে দেব।�
বান্তা : না, আমি লটারি জিতেছি। কাজেই টাকাটা এখন আমার। আমি আমার সব টাকা এখনই চাই। লটারি অফিসের অফিসারটি এবার আরও বিনীতভাবে বান্তা সিংকে পুরো ব্যাপারটি বুঝিয়ে বললেন।
কিন্তু বান্তা সিং এটা মানতেই নারাজ। এরপর অফিসারটি আবার বোঝানোর চেষ্টা করতেই বান্তা সিং রেগে চিৎকার করে বলল, �দ্যাখো আমাকে আর বেশি বোঝানোর প্রয়োজন নেই। আমার পুরো এক কোটি টাকা আমি এখনই চাই। আর তা যদি না দাও তাহলে এ নাও তোমাদের টিকিট। আমাকে টিকিটের দশ টাকা ফেরত দাও।�
________________________________________


প্রশ্ন : কোন সরদারকে কিভাবে ভড়কে দেয়া যায়?
উত্তর : তাকে বৃত্তের কোণ (angle) খুঁজে বের করতে বলে।
প্রশ্ন : সে কিভাবে আমাদের ভড়কে দিতে পারে?
উত্তর : ওই বৃত্তের কোণ বের করে।

পাগল

পাগলদের স্বভাব তো আপনারা সবাই কম বেশি জাননে। কোন পাগল বলে আমি বাংলাদেশের president ছিলাম, আবার কোন পাগল বলে আমি আমেরিকার president ইত্যাদি......

যাইহোক- একবার-president জিয়াউর রহমান পাবনার পাগলা গারদ পরিদর্শনে গিয়েছিল । ঐখানে পাগলদের মাঝখানে দাড়িয়ে president জিয়াউর রহমান পাগলদের উদ্দেশ্যে বলছেন- এই যে তোমরা আমাকে চেন ? আমি বাংলাদেশের president জিয়াউর রহমান !!

পাগলদের এক জন জবাব দিল- হি:! হি:! চিনি--চিনি, প্রথম - প্রথম সবাই এইরকম president থাকে- পরে সব ঠিক হয়ে যায় ! 
________________________________________


রোকেয়া হলের সামনে অনেক আগে এক পাগল থাকতো। মেয়েরা যখন হলের সামনে দিয়ে যেত তখন সে তার লুঙ্গীটা একটু তুলে বলতো, আপা দেখবেন?আর মেয়েরা লজ্জা পেয়ে চলে যেত।একদিন এক সাহসীকে মেয়েকে পাগলটি একই কথা বললে, মেয়েটি সাহস করে বলে উঠলো হে দেখবো দেখান কি দেখাবেন, তখন পাগল লজ্জা পেয়ে চলে গেল তারপর থেকে পাগলটি আর রোকেয়া হলের সামনে আসেনি। 

মাতাল

এক রাতে দুই মাতাল ফাঁকা রাস্টা দিয়ে হাঁটছিল। কিছুদহৃর যাওয়ার পর
প্রথম মাতাল : ওই যে বিল্ডিংটা দেখছিস, ওটা আমার। চল ওটাকে দু�জনে ঠেলে আমাদের বাড়ির কাছে নিয়ে যাই।
এরপর গায়ের শার্ট খুলে রেখে দু�জনে বিল্ডিংটাকে ঠেলতে লাগল। পেছন থেকে এক চোর তাদের শার্ট নিয়ে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর�
�ি^তীয় মাতাল : বিল্ডিংটাকে আমরা অনেকদহৃর ঠেলে নিয়ে এসেছি।
প্রথম মাতাল : কী করে বুঝলি?
ি^তীয় মাতাল : দেখ্ না, আমাদের খুলে রাখা শার্ট কি আর দেখা যাচ্ছে? 
________________________________________


এক বাংলাদেশী আর এক আমেরিকান বারে বসে একটার পর একটা মাল খেয়ে যাচ্ছে আর গল্প করছে। বাংলাদেশী বলল, জানিস আমার বাবা-মা আমার জন্যে গ্রামের একটা মেয়েকে ঠিক করেছে। একে বলে এরেঞ্জড ম্যারেজ। আমি কখনও তাকে দেখিনি। আমি এমন কাউকে বিয়ে করতে চাইনা যাকে আমি ভালবাসি না। আমি খোলাখুলি তাদের এসব বলে দিয়েছি, এখন ভয়াবহ ফ্যামিলি প্রব্লেমের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।
আমেরিকান বলল, লাভ ম্যারেজের কথা বলছ। আমার গল্প বলছি, আমি এক বিধবাকে বিয়ে করেছি, যাকে আমি প্রচন্ড ভালবাসি এবং তিনবছর ডেট করেছি তার সাথে। কয়েকবছর পরে আমার বাবা আমার স্টেপ-ডটারের প্রেমে পড়ে, তাই আমার বাবা হল আমার সন-ইন-ল, আমি হলাম আমার বাবার শ্বসুর। আমার মেয়ে হল আমার মা, বউ দাদী।
সমস্যা আরও বাড়ল যখন আমার একটা ছেলে হল। আমার ছেলে হল আমার বাবার ভাই তাই আমার চাচা। আরও গুরুতর হল যখন আমার বাবার আরেকটি ছেলে হল। এখন আমার বাবার ছেলে মানে আমার ভাই হল গিয়ে আমার নাতি।
শেষ পর্যন্ত আমি নিজে আমার দাদা এবং নিজের নাতি হলাম। আর তুমি বলতেছ ফ্যামিলি প্রবলেম !!
________________________________________


এক মাতাল দুতলা থেকে জানালা দিয়ে পেশাব করছে | তখন আরেক মাতাল বলছে, আরে তোর পেশাব বেয়ে তো চোর উঠে যাবে ? 

এ কথা শুনে প্রথম মাতাল বলল, আমি কি তোর মতো বলদ নাকি, আমি ছেড়ে ছেড়ে করছি যাতে চোর উঠে আর পড়ে যায় | 
________________________________________


এক বাংলাদেশী আর এক আমেরিকান বারে বসে একটার পর একটা মাল খেয়ে যাচ্ছে আর গল্প করছে। বাংলাদেশী বলল, জানিস আমার বাবা-মা আমার জন্যে গ্রামের একটা মেয়েকে ঠিক করেছে। একে বলে এরেঞ্জড ম্যারেজ। আমি কখনও তাকে দেখিনি। আমি এমন কাউকে বিয়ে করতে চাইনা যাকে আমি ভালবাসি না। আমি খোলাখুলি তাদের এসব বলে দিয়েছি, এখন ভয়াবহ ফ্যামিলি প্রব্লেমের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।
আমেরিকান বলল, লাভ ম্যারেজের কথা বলছ। আমার গল্প বলছি, আমি এক বিধবাকে বিয়ে করেছি, যাকে আমি প্রচন্ড ভালবাসি এবং তিনবছর ডেট করেছি তার সাথে। কয়েকবছর পরে আমার বাবা আমার স্টেপ-ডটারের প্রেমে পড়ে, তাই আমার বাবা হল আমার সন-ইন-ল, আমি হলাম আমার বাবার শ্বসুর। আমার মেয়ে হল আমার মা, বউ দাদী।
সমস্যা আরও বাড়ল যখন আমার একটা ছেলে হল। আমার ছেলে হল আমার বাবার ভাই তাই আমার চাচা। আরও গুরুতর হল যখন আমার বাবার আরেকটি ছেলে হল। এখন আমার বাবার ছেলে মানে আমার ভাই হল গিয়ে আমার নাতি।

শেষ পর্যন্ত আমি নিজে আমার দাদা এবং নিজের নাতি হলাম। আর তুমি বলতেছ ফ্যামিলি প্রবলেম !! 
________________________________________


দুই মাতাল রাতে বাড়ি ফিরছিল। এক জনের হাতে একটা টর্চলাইট। সে টর্চের আলো আকাশের দিকে ফেলে বলল,
প্রথম মাতালঃ এই আলোটা বেয়ে আকাশে উঠতে পারবি?
দ্বিতীয় মাতালঃ অবশ্যই পারব, কিন্তু উঠবো না।
প্রথম মাতালঃ কেন?
দ্বিতীয় মাতালঃ আমি আলো বেয়ে উঠে গেলে তো তুই টর্চটা নিভিয়ে দিবি। তখন উপর থেকে পড়ে কোমরটা ভাঙ্গি আর কি! 
________________________________________


মাতাল : (টলতে টলতে এক ভদ্রলোকের সামনে গিয়ে) এ্যাঁই, আমাকে একটা ট্যাক্সি ডেকে দাও।
ভদ্রলোক : আমি দারোয়ান নই। একজন পাইলট!
মাতাল : বেশ, তবে একটা প্লেনই ডেকে দাও! 
________________________________________


দুই মাতাল রাতে বাসায় ফিরছে। হঠাত একজন ডানহাত মুঠো করে ধরে পাশের জনকে দেখিয়ে বলে, "ক তো দেহি আমার হাতের মুডায় কি আছে?"
২য় জন টলতে টলতে বলল, "রেলগাড়ী।"
১ম জন চমকে গেল। হাতের মুঠো ভাল করে চেক করে ২য় জনকে বলল, "খেলমুনা, তুই দেখছস।" 
________________________________________


দুই মাতাল রাস্তা দিয়া হাইটা যাইতাছে।
প্রথম মাতালঃ ওই, তুই আর বেশি গিলিস না।
দ্বিতীয় মাতালঃ কেন? কি অইচে?
প্রথম মাতালঃ তোরে অহন ঝাপসা দেকতাচি। বেশি গিললে উধাও অইয়া যাইবি।

ডাক্তার ও রোগী

এক মহিলা তার কিছু মনোদৈহিক সমস্যা নিয়ে গেছেকে মনোবিজ্ঞানীর কাছে-
: আপনার সেক্স লাইফ সম্পর্কে আমাকে কিছু বলুন? আপনার সমস্যা সমাধান করতে এইটা জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
: আমার সেক্সলাইফ বলতে গেলে পিকনিকের দিনের মতো।
: মানে খুব আনন্দের?
: না বছরে একবার। 
________________________________________


দৈনিক দুই চামচ

ডাক্তারঃ এক্স-রে করে দেখলাম, আপনার পেটে অনেক চামচ জমা হয়েছে। কেন বলুন তো?
রোগীঃ আপনি তো বললেন দৈনিক দুই চামচ খেতে।
________________________________________


এক পাগলের অভ্যাস ছিল গুলতি দিয়ে যে কোন কাঁচের জানালা ভাঙ্গার । তাকে ধরে মানসিক চিকিৎসালয়ে নিয়ে আসা হল । এক বছর চিকিৎসার পর ডাক্তারের ধারনা হল রোগ মুক্তি হয়েছে, তাকে ছেড়ে দেয়া যায় । ছাড়বার আগে শেষ পরীক্ষা করার জন্য ডাক্তারের চেম্বারে তাকে ডাকা হল ।
ডাক্তার : স্যার , আমাদের ধারনা আপনি সম্পূর্ন আরোগ্য হয়েছেন । তাই আপনাকে ছেড়ে দেয়া হবে । এবার আপনি বলুন এখান থেকে ছেড়ে দেয়ার পর আপনি কি করবেন ?
পাগল : আমি ! সত্যি বলব ?
ডাক্তার : বলুন ।
পাগল : প্রথমে ভালো একটা স্যুট কিনব । তারপর সেটা পরে আমি তাজমহল হোটেলে যাবো ডিনার খেতে ।
ডাক্তার : গুড, নর্মাল ব্যাপার, তারপর ?
পাগল : তারপর সেখানে সুন্দরী এক সোসাইটি গার্লকে বলব যে, মে আই হ্যাভ এ ড্যান্স উইথ ইউ ?
ডাক্তার : গুড, নর্মাল, তারপর ?
পাগল : তারপর তাকে ডিনার খাওয়াবো । মদ খাওয়াবো ।
ডাক্তার : ঠিক আছে, তারপর ?
পাগল : তারপর তাকে হোটেলের একটা রুমে নিয়ে আসব । নীল আলো জ্বালিয়ে দেবো । স্লো মিউজিক চালিয়ে দেব ।
ডাক্তার : নর্মাল সবকিছু, তারপর ?
পাগল : তারপর ধীরে ধীরে শাড়ী খুলব, ব্লাউজ খুলব , ব্রা খুলব, পেটিকোটটা খুলে ধীরে ধীরে নামিয়ে আনব পা থেকে ।
ডাক্তার : নাথিং রং, তারপর ?
পাগল : এবার মেয়েটির শরীরে বাকী আছে তার আন্ডারওয়ার । এখন ধীরে ধীরে সেই আন্ডারওয়ারটি খুলে নেব আমি ।
ডাক্তার : তারপর ?
পাগল : তারপর আন্ডারওয়ার থেকে ইলাস্টিকের দড়িটা খুলে নেব আমি । এই ইলস্টিক দিয়ে নতুন গুলতি বানাবো । আর সেই গুলতি দিয়ে শহরের যত কাঁচের জানালা আছে সব ভেঙ্গ চুরমার করে দিব আমি ।
ডাক্তার : নিয়ে যাও পেসেন্টকে । বন্ধ করে রাখ ওকে । হি ইজ এজ সিক এজ বিফোর । নো ইমপ্রুভমেন্ট । 
________________________________________


মেডিকেল কলেজের প্রফেসর নতুনদের ক্লাস নিচ্ছেন।

-ভালো ডাক্তার হওয়ার দুটি শর্ত। প্রথমটি হল খুব ভালো পর্যবেক্ষন শক্তি থাকা। রুগীকে দেখেই যেন তার সম্পর্কে ধারনা করতে পারো, কোন একটা অসুখের হালকা লক্ষনও যেন বাদ না যায়। দ্বিতীয়টা হল মন শক্ত করা। যেন কিছুতেই তুমি ভড়কে না যাও।

আজকে তোমাদের পর্যবেক্ষন এবং মানসিক অবস্থার পরীক্ষা হবে। আমার সামনে একটা জারে হলুদ বর্নের তরল আছে। সবাই এক এক করে আসো আর দেখে যাও। বলো এটা কি?

একে একে সবাই এলো। সবার এক কথা এটা প্রস্রাব।

গুড! এই বলে প্রফেসর একটা আঙ্গুল তরলে ডুবিয়ে দিলেন। ছাত্র-ছাত্রীরা ওয়াক থু টাইপ আওয়াজ করল। তরলে আঙ্গুল রেখেই প্রফেসর বললেন,

-তোমাদের ঘেন্নাপাতি কমাতে হবে। মানসিক দৃঢ়তার জন্য এই ধরনের ঘৃনা থাকা ভালো নয়। যারা এখনো আমার আঙ্গুল চুবিয়ে রাখা পছন্দ করো নাই তারা ভালো করে লক্ষ্য করো। এইবলে প্রফেসর আঙ্গুল তুলে মুখে দিলেন। ছাত্রদের অবস্থা ত সেই রকম।

এরপর প্রফেসর বললেন, তোমরা সবাই ঠিক আমি যেভাবে আঙ্গুল চুবিয়েছি আর মুখে দিয়েছি সেইভাবে কর। সবাই আসো... একে একে...

ছাত্ররা তাই করল।

সবশেষে প্রফেসর বললেন, এবার তোমাদের পর্যবেক্ষনের প্রসঙ্গে আসি। বলো কতজন খেয়াল করেছো যে আমি তর্জনী চুবিয়েছি আর মধ্যমা মুখে দিয়েছি... 
________________________________________


বুড়ো রিয়াদ সাহেব বিয়ে করেছেন এক কচি মেয়েকে। কিন্তু কয়েক হপ্তা পর দেখা গেলো, বিছানায় যত কায়দা কানুনই তিনি করেন না কেন, বউ বেচারির রাগমোচন হচ্ছে না।
রিয়াদ সাহেব ঠিক করলেন, তিনি ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।
ডাক্তার সব শুনে, সব দেখে রায় দিলেন - এক কাজ করুন। ফ্যান্টাসি সেক্স চেষ্টা করে দেখুন। ষন্ডা কোন ছোকরাকে ভাড়া করবেন। আপনারা যখন ঐসব করবেন, ছোকরা ন্যাংটা হয়ে দাঁড়িয়ে তালপাখা দিয়ে আপনাদের বাতাস করবে।
ডাক্তারের কথা কী আর ফেলা যায়? রিয়াদ সাহেব এক ষন্ডামতো ছোকরাকে ভাড়া করে বাড়ি নিয়ে গেলেন। ডাক্তারের নির্দেশমতো কাজ করেও কোন ফল পাওয়া গেলো না। চটেমটে রিয়াদ সাহেব আবার ডাক্তারের চেম্বারে হানা দিলেন।
ডাক্তার সব শুনে, সব দেখে আবারও রায় দিলেন এক কাজ করুন। এবার উল্টো ফ্যান্টাসি সেক্স চেষ্টা করে দেখুন। ষন্ডা কোন ছোকরাকে ভাড়া করবেন। এবার ছোকরা আপনার স্ত্রীর সাথে যখন ঐসব করবে, আপনি ন্যাংটা হয়ে দাঁড়িয়ে তালপাখা দিয়ে ওদের বাতাস করবেন।
মরিয়া রিয়াদ সাহেব ঠিক করলেন, তথাস্তু।
এবার একেবারে হাতেনাতে ফল পাওয়া গেলো। রিয়াদ সাহেবের বউ এক উথালপাথাল রাগমোচন লাভ করলেন।
উল্লসিত রিয়াদ সাহেব ষন্ডা ছোকরার কাঁধে টোকা দিয়ে বললেন, এবার বুঝেছো তো ছোকরা, কিভাবে ঠিকমতো বাতাস করতে হয়?
________________________________________


পাভেল খুব তোতলায়।

এমনটা ছোটবেলায় হতো না, এখন কেন হচ্ছে জানার জন্যে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করলো সে।
ডাক্তার প্রথমে নাক-কান-গলার বিভিন্ন টেস্ট দিলেন।যথাসময়ে রিপোর্ট হাতে এল,কিন্তু রিপোর্ট ডাক্তার এমন কিছু পেলেন না যার কারণে পাভেল এর এই হঠাৎ তোতলামি দেখা দিতে পারে।অবশেষে ডাক্তার তাকে থরো চেকআপ এর সিদ্ধান্ত নিলেন।এবং তাকে আপাদমস্তক পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে কারণটা খুঁজে পেলেন ডাক্তার।

তিনি পাভেলকে জানালেন, দেখুন মিস্টার পাভেল, আপনার দেহের বিশেষ প্রত্যঙ্গটি অত্যন্ত দীর্ঘ।সেটির ওজনে আপনার ভোকাল কর্ডে টান পড়েছে।প্রত্যঙ্গটি কেটে খানিকটা ছোট করা হলে সম্ভবত আপনার তোতলামি সেরে যাবে।আপনি রাজি হলে এখন যা আছে, তার অর্ধেকে আমি আপনাকে নামিয়ে আনতে পারি।তবে যে অর্ধেক সরিয়ে ফেলা হবে, সেটি কিন্তু আপনাকে হস্তান্তর করা হবে না।আপনি কি রাজি?

কী আর করা, পাভেল রাজি হলো।অপারেশন সফল হওয়ার পর তার তোতলামি একেবারেই সেরে গেলো।

কিন্তু পাভেলের বান্ধবী টিনা সব জানতে পেরে ভীষণ চটে গেলো।সে হুমকি দিলো, তোতলামি নিয়ে তার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু অর্ধেক যদি সে ফেরত না নিয়ে আসে, এ সম্পর্ক সে রাখবে না।

মাসখানেক টিনাকে বোঝানোর চেষ্টা করে বিফল হয়ে শেষে পাভেল আবার গেলো ডাক্তারের কাছে।
ডাক্তারসাহেব, আমার অর্ধেক আমাকে ফিরিয়ে দিন- আব্দার জানালো পাভেল , তারপর বর্তমান পরিস্থিতি ডাক্তারকে বুঝিয়ে বললো।

কিন্তু ডাক্তার কোন জবাব দিলেন না, ভাবুক চোখে তাকিয়ে রইলেন তার দিকে।
পাভেল চটে গেলো।

: কী হলো, কথা শুনতে পাচ্ছেন না আমার? আমার অর্ধেক আমাকে ফিরিয়ে দিন।
: ডাক্তারও চটে গিয়ে বললেন, প-প-প-পারবো না। য-য-য-যান, ভ-ভ-ভাগেন এখান থেকে।
________________________________________


ডাক্তার : আপনাকে কতবার বলেছি চর্বিজাতীয় খাবার খাবেন না।
রোগী : খেতে চাই না, কিন্তু জিহ্বা যে মানে না।
ডাক্তার : এত বড় শরীর ছোট এক জিহ্বার সঙ্গে পারেন না, এ কেমন কথা?
রোগী : জিহ্বা তো আর একা নয় পেটও যে তাকে সাপোর্ট করে। 
________________________________________


কথা হচ্ছে দুই বন্ধুর মধ্যে
১ম জন : আচ্ছা বল তো, হাসপাতালে যখন রোগীর অপারেশন চলে, তখন ডাক্তাররা মুখ ও মাথা ঢেকে রাখে কেন?
২য় জন : অপারেশনে যদি ডাক্তাররা কোন ভুল করে ফেলে তাহলে রোগী যেন তাদের চিনতে না পারে সেজন্য। 
________________________________________


একদিন এক রোগী ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলল, ডাক্তার সাব, আমার একটা অদ্ভুদ রোগ হয়েছে।
ডাক্তার বললেন, কি রকম?
রোগী বলল, আমি অল্পতেই রেগে যাই। গালাগালি করি
ডাক্তার বলল, ব্যাপারটা একটু খুলে বলুন তো।
রোগী বলল, হারামজাদা, কয়বার খুইল্লা কমু!!! 
________________________________________


ডাক্তার রোগীকে ব্যাবস্খাপত্র দিয়ে বললেন -
ডাক্তার : আপনার খাবার সব সময় ঢাকা রাখবেন।
রোগী : কেন ? ঢাকা তো অনেক দূর ! কুমিল্লায় রাখলে চলবে না ?

MOJAR JOKES

ছোটোকাকাঃ এই জয়, সকাল ৮টা বেজে গেছে এখনো ঘুমাচ্ছিস?
জয়ঃ ঘুমাচ্ছিনা না তো।
ছোটোকাকাঃ তবে কি করছিস?
জয়ঃ সারা রাত ঘুমিয়েছি তো, তাই বড্ড ক্লান্ত হয়ে পরেছি । একটু বিশ্রাম নিচ্ছি। 
________________________________________


কোনো মহিলা যখন গলার স্বর নামিয়ে কথা বলে তখন বুঝতে হবে তিনি কিছু চাইছেন ।
আর যখন গলা চড়া করে কথা বলে তখন বুঝতে হবে তিনি যা চেয়েছিলেন তা পান নি । 
________________________________________


অনেকেই বলেন যে মেয়েদের বোঝা কষ্ট কর। কিন্তু আমি একটু অন্য ভাবে বলি। আমি বলি সৃষ্টিকর্তাকে বোঝা সত্যই দুষ্কার, কারণ তিনি মেয়ে মানুষের মত সুন্দর জিনিষের মধ্যে জিলাপির প্যাচের থেকেও জটিল সব প্যাচ দিয়া দিছেন এবং সর্বশেষে তিনি তাদেরকে বউ বানিয়ে দেন। 
________________________________________

মিলিঃ বেলির পশু প্রীতি আজকাল বেড়ে গেছে |
লিলিঃ কিভাবে?
মিলিঃ প্রতি সপ্তাহে দুইবার সে চিড়িয়াখানাতে যাবেই | আর অন্য দিন যাবে পার্ক এ |
লিলিঃ তো পার্ক এ গেলে পশু প্রীতি কিভাবে বাড়বে?
মিলিঃ আরে তখন তো ওর সাথে ওই গাধাটা থাকে | 
________________________________________


মরা পাখি!
ক্লাসে দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে...
১ম বন্ধু: আছ্ছা বলত কোন পাখি উড়ে না?
২য় বন্ধু: উট পাখি!
১ম বন্ধু: আরে ছাগল মরা পাখি কি উড়ে... 
________________________________________


সাধুবাবা তার অনুসারীদের নিয়ে বঙ্গোপসাগরে গেছেন স্নানের জন্য। উদ্দেশ্য পাপ ধুয়ে ফেলা। গোসল শেষ করে সবাই উঠলো কিন্তু সাধুবাবার ওঠার কোন নাম নেই।
তা দেখে একজন বলল, কি সাধুবাবা, আপনি উঠছেন না কেন?
সাধুবাবা উত্তরে বললেন, বৎস, পাপ ধোয়ার সাথে সাথে গামছাটাও যে ধুয়ে চলে যাবে তা ভাবতেই পারিনি। 
________________________________________


এক দোকানদার তার কর্মচারীকে বলছে, কোন ক্রেতাকে ফিরিয়ে দিবি না। যেমন কেউ ডেটল সাবান নিতে আসলে না থাকলে স্যাভলন সাবান ধরিয়ে দিবি একথা বলে সে একটা কাজে গেল।
এরপর এক বয়স্ক ক্রেতা দোকানে এসে কর্মচারীকে বলল, বাবু, টয়লেট টিসু্ আছে।
ছেলেটি বলল, টয়লেট টিসু নাই। তবে সিরিস কাগজ আছে। আইজকা সেইটা দিয়া কাজ চালান। কাইলকা টিসু পেপার পাইবেন।
________________________________________


একবার গ্রামের দুই জন অশিক্ষিত লোক মহাকাশ ভ্রমন নিয়া কথা বলছে।
১ম জন: আম্রিকানরা চান্দে গেছে।
২য় জন: তো কী হইসে? আমরা সুর্যে যামু ।
১ম জন: সম্ভব না । সুর্যের ১৩ মিলিয়ন মাইলের মধ্যে আইলে রকেট গইলা যাইবো।
২য় জন (মাথা চুলকায়া): ঠিক আছে । রাইতে শিডিউল ফেললে রকেটের কিছু হইবো না। 
________________________________________


চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনার হচ্ছিলো। ইংল্যাণ্ডের ডাক্তার বললেন, আমাদের দেশে একটা শিশু জন্ম নিলো যার একটা পা ছিল না। আমরা নকল পা লাগিয়ে দিলাম। বড় হয়ে সে অলিম্পিকে ১০০ মিটার দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হলো! জার্মানির ডাক্তার বললেন, আমাদের দেশে এক শিশু জন্ম নিলো যার দু�টি হাত ছিল না। আমরা নকল হাত লাগিয়ে দিলাম। বড় হয়ে সে মুষ্টিযুদ্ধে স্বর্ণপদক পেলো!! সবশেষে বাংলাদেশের ডাক্তার বললেন, আমাদের দেশে একদা দু�টি মেয়ে শিশু জন্ম নিলো- যাদের হাত-পা সবই ঠিক ছিল, শুধু মাথায় মগজ ছিল না। আমরা সেখানে গোবর ঢুকিয়ে দিলাম। বললে বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, দু জনেই দেশের শীর্ষপদে বসেছিলেন। 
________________________________________


একবার সরকারের নীতি নির্ধারকদের একটি দল জটিল সমস্যায় পড়লেন।সমস্যাটা লিঙ্গ নির্ধারন সংক্রান্ত।
তো তারা গেলেন হাসিনার কাছে।ম্যাডাম, কাঠাল কোন লিঙ্গ ? ম্যাডাম বললেন, এটা নির্ধারন করা কোনো সমস্যা না।আমি আজকেই বাংলা একাডেমীর ডিজিকে বলে দিচ্ছি তিনি জানিয়ে দিবেন।
কিন্তু দুইদিন গেল, ডিজি জানালেন না।তখন তারা গেল এরশাদের কাছে।এরশাদের ঝটপট জবাব-আরে কাঠাল হল পুং লিঙ্গ।কারণ কাঠালের বিচি আছে।
এরপর পত্রিকার খবর বের হল-পুলিশ একদল ছাত্রকে ডান্ডা দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছে।
আচ্ছা, পুলিশ কোন লিঙ্গ ? জানতে চাওয়া হল প্রধানমন্ত্রী হাসিনার কাছে।হাসিনা বললেন, এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিতে হবে।সেই খোঁজ আর আসে না দেখে এরশাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়।তিনি বললেন যেহেতু পুলিশের ডান্ডা আছে তাই পুলিশ পুংলিঙ্গ।

এরপর প্রশ্ন উঠে আইন কোন লিঙ্গ।এবারও যথারীতি হাসিনা ফেলটুস।বলতে পারলেন না।অগত্যা আবার কাবিল এরশাদের কাছে জিজ্ঞাসা।তিনি ভেবেচিন্তে বললেন, আইনের ফাঁক আছে, তাই আইন স্ত্রী লিঙ্গ।
________________________________________


মহিলা এবং স্বর 
কোনো মহিলা যখন গলার স্বর নামিয়ে কথা বলে তখন বুঝতে হবে তিনি কিছু চাইছেন ।
আর যখন গলা চড়া করে কথা বলে তখন বুঝতে হবে তিনি যা চেয়েছিলেন তা পান নি । 

________________________________________


এক বৃদ্ধ বৃটিশ মহিলা অন্তিম মূহুর্তে আজরাইল এসে হাজির হলো। মহিলা বলল- আমি কি এখনই মরে যাব? আজরাইল বলল- আরে না তুমি আরো দশ বছর বাচবে। সত্যি সত্যি মহিলা সুস্থ হয়ে উঠল এবং ভাবল আমি তো আরো দশ বছর বাচব তাহলে ভালো ভাবেই বেচে থাকি। পরের দিন গিয়ে প্লাষ্টিক সার্জারি করে একজন ষোড়শী যুবতী হয়ে রাস্তা পার হবার সময় এক্সিডেন্ট করে মারা গেল। আজইরাইকে বলল- তুমি আমাকে বললে আমি আরো দশ বছর বাচব কিন্তু দুইদিনের মধ্যেই আমাকে মরে যেতে হলো কেন? আজরাইল বলল- তুমি প্লাস্টিক সার্জারি করে এমন হয়েছো যে আমি তোমাকে চিনতে পারিনি। 
________________________________________


চারিত্রিক সার্টিফিকেট
: কমিশনার সাহেব বাসায় আছেন ?
: কেন ?
: আমার একটা চারিত্রিক সার্টিফিকেট দরকার |
: তিন মাস পরে আসেন, উনি নারীঘটিত কেসে ছয় মাসের জেলে আছেন || 
________________________________________


টিভির পোকা 
পুলিশ : আপনি বলছেন, গতরাত্রে চোর আপনার বাসা থেকে ফ্রিজ, গাড়ী, টাকা, অলংকার চুরি করেছে?
বাড়ির মালিক : হ্যাঁ |
পুলিশ : কিন্তু টিভিটা নেয়নি কেন?
বাড়ির মালিক : ওটা নেবে কীভাবে! তখন তো আমি টিভি দেখছিলাম | 
________________________________________


আমি আপনার সাথে বিছানায় যাব 
এক সুন্দরী তরুণী পঞ্চাশ তলা উঁচু এক ভবনের ছাদে হাঁটাহাঁটি করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গেল

পড়তে পড়তে দশ তলা পার হয়ে সে যখন ঠিক চল্লিশ তলা পর্যন্ত আসল তখন এক বৃটিশ ভদ্রলোক (!) বারান্দা থেকে হাত বাড়িয়ে তাকে ধরে ফেলল। এভাবে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় মেয়েটি খুশিতে আত্মহারা হয়ে অগ্র-পশ্চাত্� বিবেচনা না করেই সিনেমার ডায়লগের মতো গড় গড় করে বলল - আপনি আমার জীবন বাঁচিয়েছেন; কাজেই আমি আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। আপনার ঋণ শোধ করার জন্য আপনি যা চাইবেন আমি তাই দিব। বলুন আপনি কি চান? বৃটিশ দেখল এ যেন না চাইতেই একেবারে শরবত। কাজেই সে সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে বলল, আমি বেশি কিছু চাই না - শুধু তোমাকে চাই। তোমার এই সুন্দর শরীরটা চাই। চল, আমার সাথে বিছানায় চল।
বৃটিশের এ অন্যায় আবদার শুনে বিন্দুমাত্র চিন্তা-ভাবনা না করে তরুণী বলল - ইতর, বদমাশ, জানোয়ার! ভেবেছিস এত সহজ? আমার জীবন বাঁচিয়ে এখন তার বিনিময়ে এই চাইছিস? দরকার নেই আমার এ জীবনের। তোর মতো পাপিষ্ঠের সাথে বিছানায় যাওয়ার চেয়ে মরে যাওয়া অনেক ভালো। ছেড়ে দে আমাকে। ছেড়ে দে �

কাজেই বৃটিশ লোকটা তাকে ছেড়ে দিল এবং সে আবার পড়তে লাগল। পড়তে পড়তে আরো দশ তলা পেরিয়ে সে যখন ত্রিশ তলা পর্যন্ত এল তখন এক আমেরিকান ভদ্রলোক (!) হাত বাড়িয়ে তাকে ধরে ফেলল। আগেরবারের ঘটনা থেকে তরুণীর যথেষ্ট শিক্ষা হয়েছে। কাজেই সে বেশি কিছু না বলে আমেরিকানকে শুধু তার জীবন বাঁচানোর জন্য একটা ধন্যবাদ দিল। কিন্তু আমেরিকানটা বৃটিশটার চেয়েও এক ডিগ্রী বেশি অসভ্য। সে নিজে থেকেই বলল, দেখ মেয়ে আমি এখনও তোমাকে বারান্দা থেকে সরিয়ে নেই নি। তুমি যদি আমার সাথে বিছানায় যেতে রাজি থাক, তাহলেই কেবল তোমাকে আমি সরিয়ে নিব। নইলে কিন্তু দিলাম ছেড়ে।
আমেরিকানের কথা শেষ হওয়ার আগেই তরুণী বলল, পেয়েছিস কি তোরা? মেয়ে দেখলেই ভোগ করতে ইচ্ছে করে? তোদের ঘরে কি মা-বোন নেই? দরকার নেই তোর দয়ার। ছেড়ে দে আমাকে। তোর হাতে যাওয়ার চেয়ে মাটিতে পড়ে মরাও অনেক ভালো। ছেড়ে দে �

কাজেই আমেরিকান লোকটাও তাকে ছেড়ে দিল এবং সে আবার পড়তে লাগল।
পড়তে পড়তে তরুণীটি আরো দশতলা পেরিয়ে গেল - কিন্তু এবার আর কেউ তাকে হাত বাড়িয়ে ধরল না। এই সময় তার একটু আফসোস হতে লাগল। তার মনে হল, ঐ দুজনের কথামতো তাদের সাথে বিছানায় গেলে কি এমন ক্ষতি হতো! অন্তত মারা যাওয়ার চেয়ে সেটাতো খারাপ হতো না! ইস, কেন যে সে ওদের কথায় রাজি হল না! তা হলে তো আর জীবনের আসল আনন্দগুলো উপভোগ করার আগেই বিদায় নিতে হতো না � হায় আর কেউ কি নেই তাকে বাঁচানোর? বিনিময়ে সে এবার সব দিতে রাজি আছে �

এসব ভাবতে ভাবতে সে যখন আরো দশতলা অর্থাত্� মোট চল্লিশ তলা পেরিয়ে ঠিক দশতলা উচুঁতে আসল, ঠিক তখন আরবীয় হুজুর তাকে হাত বাড়িয়ে ধরে ফেললেন। মেয়েটি এবার খুশিতে গদগদ হয়ে বলল - আপনি আমার জীবন বাঁচিয়েছেন! চলুন আমি আপনার সাথে বিছানায় যাব!

মেয়েটির মুখে এরকম নির্লজ্জ কথা শুনে হুজুর হতভম্ব হয়ে গেলেন। নিজের অজান্তেই �আসতাগফিরুল্লাহ� শব্দটা উচ্চারণ করে তিনি মেয়েটিকে হাত থেকে ছেড়ে দিলেন � 
________________________________________


ইঁদুর আর হাতির ভীষণ বন্ধুত্ব। একবার ইঁদুর এল হাতির বাড়িতে।
: দোস্ত দিন দুয়েকের জন্য তোমার আন্ডারঅয়্যারটা ধার দাও।
: কেন? আমার জাংগিয়া দিয়া তুমি কি করবা?
: তুমিতো জানই কাল আমার একমাত্র ছেলের বিয়ে।
: জানব না কেন? কিন্তু জাঙ্গিয়া দিয় কি করবা সেইটা কও।
: এহনও বুঝতাছ না? তোমার জাঙ্গিয়া দিয়া বিয়ের অনুষ্ঠানের সামিয়ানা টাঙ্গামু আর কী।
________________________________________


সামনে স্কুল, আস্তে চলুন 
শিক্ষক: তুমি দেরী করে আসলে কেন? 
আবুল: সাইনের কারণে স্যার। 
শিক্ষক: কিসের সাইন? 
আবুল: ওই যে লেখা ছিল, সামনে স্কুল, আস্তে চলুন। 
________________________________________


বাচ্চাটার চুল সোনালি
বুড়ো লম্পট রিয়াদ সাহেব সত্তর বছর বয়সে কুড়ি বছরে এক সুন্দরী তরুণীকে বিয়ে করলেন।
বছর ঘুরতেই খোকা হলো তাদের।
হাসপাতালের নার্স মুচকি হেসে বললো, 'বাহ রিয়াদ সাহেব, বেশ ফর্মে আছেন মনে হচ্ছে?'
রিয়াদ সাহেব গর্বিত হাসি দিয়ে বললেন, 'পুরনো ইঞ্জিনটাকে চালু রাখলাম আর কি।'
আরো দুবছর পর আবার খুকি হলো তার।
নার্স আবারো মুচকি হাসলো। 'হুম, রিয়াদ সাহেব, বেশ ফর্মে আছেন।'
রিয়াদ সাহেব আবারো গর্বিত হাসি দিয়ে বললেন, 'পুরনো ইঞ্জিনটাকে চালু রাখলাম আর কি।'
বছর দুয়েক পর আবার খোকা হলো তাঁর।
নার্স কিছু বলার আগেই রিয়াদ সাহেব বললেন, 'পুরনো ইঞ্জিনটাকে চালু রাখলাম আর কি।'
নার্স মুচকি হেসে বললো, 'তাহলে এবার তেল পাল্টে নিন স্যার। আপনার এবারের বাচ্চাটার চুল সোনালি।'
________________________________________


বিচি
এক লোকের তিনটি বিচি | সে এটা নিয়া খুবই চিন্তিত | লজ্জায় কাউকে বলতে পারছে না | উপায় না দেখে ডাক্তারের কাছে গেল |
লোক : লজ্জিত হয়ে ডাক্তারকে বলছে, ডাক্তার সাহেব আপনার আর আমার মিলে ৫ টি |
ডাক্তার : কি বলেন বুঝতে পারছি না |
লোক : আরে আপনার আর আমার মিলে ৫ টি |
ডাক্তার : কিছুই বুঝতে পারছি না | পরিস্কার করে বলুন |
লোক : উপায় না দেখে বলল, আপনার আর আমার মিলে ৫ টি বিচি ||
ডাক্তার : তাহলে কি আপনার ১ টি ?? 
________________________________________


ভক্তঃ সাধু বাবা, আমার বউ অনেক বিরক্ত করে...উদ্ধারের উপায় বলুন...
সাধুঃ আরে আহাম্মক উপায় থাকলে কি আর আমি গাছের নিছে বসে থাকি...? 
________________________________________


প্রশ্নঃ মেয়েদের পিরিওড আর ছেলেদের মাসিক বেতন, দুইটার মধ্যে কি মিল আছে,বলেন দেখি?
উত্তরঃ দুইটাই তিন দিনে শ্যাষ, তারপর অপেক্ষা করো, আবার পরের মাসের জন্য। 
________________________________________


এক অনুষ্ঠানে এক জোকার এসেছে লোক হাসানোর জন্য। সে তার প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে সবাইকে জিজ্ঞেস করল, বলেন তো আমি কি ধরেছি?
সবার মাঝে ছি ছি পড়ে গেল।
জোকার তখন পকেট থেকে একটা কলম বের করে দেখালো, আপনাদের ধারণা ঠিক না। আমি এই কলম ধরে ছিলাম।
তারপর সে আবার পকেটে হাত ঢুকালো। বলল, বলেন তো এইবারে আমি কি ধরেছি?
একেক জন একেক কথা বলা শুরু করল। কেউ বলল মানিব্যাগ, কেউ চাবি, কেউ মোবাইল।
জোকার তার খালি হাত পকেট থেকে বের করল। বলল, হয় নি। এবারে আপনারা প্রথমে যা ধরার কথা ভেবেছিলেন সেটাই ধরেছি। 
________________________________________


জ্বিনভূত বিশ্বাস করেন
টিনা বেড়াতে গেছে এক নির্জন কেল্লায়।
একটা ঘরে ঢুকে সে দেখলো, একটা পুরনো চেরাগের পাশে এক পাগড়ি পরা যুবক দাঁড়িয়ে।
স্বাগতম, আমার আকা। বললো যুবক। আমি এই চেরাগের জ্বিন। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ করতে চাই।
টিনা এক নিঃশ্বাসে বললো, কোটি কোটি টাকা, দশটা বাড়ি, বিশটা গাড়ি।
জ্বিন বললো, জো হুকুম। আপনি বাড়ি ফিরেই আপনার টাকা, বাড়ির দলিল আর গাড়ির লাইসেন্স তৈরি পাবেন। কিন্তু আমার আকা, আমি দীর্ঘদিন এই চেরাগে একা বন্দি ছিলাম। আপনি যদি কিছু মনে না করেন, আমি ইচ্ছাপূরণের আগে আপনার সাথে কয়েকবার আদরসোহাগ করতে চাই।
টিনা সানন্দে রাজি হলো। পরদিন ভোরে জ্বিন বললো, আমার আকা, আপনার বয়স কত?
সাতাশ। জবাব দিলো টিনা।
এই বয়সেও আপনি জ্বিনভূত বিশ্বাস করেন?
________________________________________


একপার্কে দুইটা মুর্তি ছিল। একটা ছেলের। তার ঠিক মুখমুখি একটা মেয়ের মুর্তি। একজন আরেকজনের দিকে তাকিয়ে আছে।
একদিন স্বর্গ থেকে একজন দেবদূত এলো। মুর্তি দুইটাকে বলল,
তোমরা দুইজন খুব ভালো মুর্তি। অতি ভদ্র আচরনের পুরস্কার হিসাবে তোমাদের দুইজনকে ত্রিশ মিনিটের জন্য জীবন্ত করে দেয়া হবে।
মুর্তি দুইটা জীবন্ত হল। মেয়েটা ছেলেটার দিকে লাজুক হেসে এগিয়ে এল। ছেলেটাও লাজুক ভঙ্গিতে হাসতে লাগল। কিছুক্ষন হাসার পর, মেয়েটা ছেলেটাকে বলল, ত্রিশ মিনিট খুব কম সময়।
ছেলেটা একটা ইঙ্গিতপূর্ন হাসি দিল। মেয়েটাও হাসি দিল। সময় নাইরে। দুইজন দৌড়ে ঢুকে গেলো পাশের একটা ঝোপের ভিতর।
কিছুক্ষন হাসাহসি, ঝোপের নড়াচড়া হল। ছেলেটার সেইরকম আওয়াজও পাওয়া গেল।
অবশেষে তারা দুইজন বের হয়ে এলো। মুখে তৃপ্তির হাসি।
দেবদূত বলল, ইয়ে। তোমাদের হাতে আরো পনের মিনিট আছে। ছেলেটা আবার মেয়েটার দিকে তাকাল। দুইজনের মুখে চওড়া হাসি। ছেলেটা
ইঙ্গিতপূর্নভাবে মেয়েটাকে বলল, আবার হবে নাকি?
অবশ্যই। তবে এইবার তুমি কবুতর ধরে রাখবে। আর আমি তার ওপর মলত্যাগ করব। 
________________________________________


ডেটিং কোড
প্রথম দিন ডেট সেরে বান্ধবীকে রাতের বেলা বাড়ি পৌঁছে দিতে এসেছে বাবু। দরজার পাশে দেয়ালে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে বললো সে, সোনা, একটা চুমো খেতে দাও আমাকে।
কী? তুমি পাগল হলে? এখানে দাঁড়িয়ে, না না না!
আরে কেউ দেখবে না। এসো, একটা চুমো।
না না, খুব ঝামেলা হবে কেউ দেখে ফেললে।
আরে জলদি করে খাবো, কে দেখবে?
না না, কক্ষণো এভাবে আমি চুমো খেতে পারবো না।
আরে এসো তো, আমি জানি তুমিও চাইছো - খামোকা এমন করে না লক্ষ্মী!
এমন সময় দরজা খুলে গেলো, বান্ধবীর ছোট বোন ঘুম ঘুম চোখে দাঁড়িয়ে। চোখ ডলতে ডলতে সে বললো, আপু, বাবা বলেছে, হয় তুমি চুমো খাও, নয়তো আমি চুমো খাই, নয়তো বাবা নিজেই নিচে নেমে এসে লোকটাকে চুমো খাবে - কিন্তু তোমার বন্ধু যাতে আল্লার ওয়াস্তে ইন্টারকম থেকে হাতটা সরায়। 
________________________________________


কুমীর
টুরিস্টঃ নদীতে নামতে পারি? কুমীরের ভয় নেই তো?
স্হানীয় লোকঃ নিশ্চিন্তে নামুন। এখন আর একটি কুমীরও নেই। গত দু বছরে সবকটি কুমীর হাঙর খেয়ে ফেলেছে।
________________________________________


একবার এক ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন রাশিয়ান চীফ অফিসারকে বললো, আজ পূর্ণিমার রাত এবং সেই সাথে চন্দ্রগ্রহন। অর্থাৎ চাঁদটা ঢাকা পড়বে পৃথিবীর ছায়াতলে। ক্রু-রা ইচ্ছে করলে রাত নটায় ব্রীজে এসে এই বিরল দৃশ্য অবলোকন করতে পারে। তবে আবেগ আপ্লুত হয়ে কেউ যেন লাফালাফি না করে।
চীফ অফিসার ফিলিপিনো থার্ড অফিসারকে বললো, সারেং কে বল- আজ পূর্ণিমার রাত, কিন্তু রাত নটায় চাঁদটা হারিয়ে যাবে পৃথিবীর ছায়ায়, এই বিরল দৃশ্য রাত নটায় ব্রীজে গিয়ে ক্রু-রা দেখতে পারে- তবে কেউ প্রফুল্ল হয়ে লাফ দিতে পারবে না। এটা ক্যাপ্টেনের আদেশ।
থার্ড অফিসার চাইনিজ সারেংকে বললো, আজ পূর্ণিমার রাত এবং ওটা ছায়াতলে হারিয়ে যাবে। এই বিরল দৃশ্য দেখে ক্যাপ্টেন ছাড়া আর কেউ লাফ দিতে পারবে না, রাত ন�টায় ব্রীজে যাবে সবাই প্রফুল্ল মনে।
সারেং সমস্ত ক্রু-দের ডেকে বললো, আজ পূর্ণিমার রাত এবং হঠাৎ চাঁদটা উধাও হয়ে যাবে। এই দুঃখে ক্যাপ্টেন পানিতে লাফ দিবে। এই বিরল দৃশ্য দেখে তোমরা রাত নটায় প্রফুল্ল মনে পার্টিতে যোগ দিবে।
________________________________________


বিভিন্ন ধর্মের লোকজনদের নিয়ে সভা হচ্ছে।
প্রথমেই বুদ্ধ সন্ন্যাসী ষ্টেজে ঊঠলেন। বুদ্ধের প্রশংসা করে বক্তৃতা দিলেন। তার বলা শেষ হলেই বাঙ্গালাদেশি এক হুজুর দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা! আশ্রমের জন্য আপনারা যে টাকা পান, সেটা হতে নিজেদের পিছে কত খরচ করেন? সন্ন্যাসী খুব লজ্জার সাথে উত্তর দিলেন, যদিও আমরা সন্ন্যাসী, তারপরও বেচে থাকার জন্য আমরা কিছু অর্থ খরচ করি। আশ্রমে দান থেকে যা আয় হয় তার দশ পারসেন্ট নিজেদের পিছে খরচ করি।
হুজুর ধমক দিয়ে উঠলেন , ধিক!!! খোদার লানত পড়ুক আপনাদের উপর। খোদার টাকা থেকে আপনার নিজেদের জন্য সরিয়ে রাখেন!!!
বেচারা সন্ন্যাসী কিছু বলতে পারলেন না। লজ্জায় মাথা নিচু করে বসে পড়লেন।
এরপর গেলেন হিন্দু মন্দিরের পুরোহিত। তিনি ধর্মের ব্যাখ্যা শেষ করতেই হুজুরের প্রশ, মন্দিরে যে মানুষেরা টাকা দেয়, তার কতটুকু আপনারা নিজেদের কাজে লাগান শুনি?
পুরোহিতও খুব লজ্জায় পড়ছেন। মন্দিরের সব কাজ ত আমরা দানের টাকায় করি, আর পচিশ পারসেন্টের মত খরচ হয়ে যায় নিজেদের পিছে।
আবার হুজুরের চিৎকার, ধিক!!! লানত পড়ব খোদার!! লজ্জা করে না ভগবানে টাকা নিজের পকেটে নিতে??
এরপর উঠছে পাদ্রী। সে বার বার হুজুরের দিকে চোরা চোখে চায়, ভয়ে ভয়ে কথা শেষ করল। হজুর যথারীতি বক্তৃতা শেষেই প্রশ্ন করল, বলেন আপনারা কত খরচ করেন নিজের পিছে?
ডোনেশনে যা পাই, তার পঞ্চাশ ভাগের মত নিজেদের পিছে খরচ হয়ে যায়।
হুজুরের আবার ধমক, ধিক!!
এরপর হুজুরের পালা। সন্ন্যাসী, পুরোহিত আর পাদ্রী পুরা ক্ষেপে আছে। হুজুরের কথা শেষ হতে না হতেই তাদের প্রশ, এইবার বলেন আপনার কত খরচ করেন নিজেদের পিছে?
আপনি কি ভাবছেন আমরা আপনাদের মত??? খোদার টাকায় খোদার হক সবার আগে। তাই আমরা খুব ভালো একটা সিস্টেম ব্যবহার করি। বছরে যা টাকা উঠে তা একটা চাদরে বাধি। এরপর সেটা আকাশের দিকে ছুড়ে মারি। খোদার যা দরকার তিনি সেটা থেকে নিয়ে নেন। চাদর মাটিতে পড়লে সেটা খুলে আমাদের যা দরকার আমরা নিয়ে নেই। 
________________________________________


গোল্ডউইনের উত্তর

চিত্র পরিচালক উইলিয়াম ওয়াইলার একবার বেশ সমস্যায় পড়লেন। তিনি সে সময় যে ছবিটি পরিচালনা করছিলেন সেটির প্রযোজক স্যামুয়েল গোল্ডউইনকে একটি দৃশ্যের প্রয়োজনীয়তা কিছুতেই বোঝাতে পারছিলেন না। অগত্যা তিনি সেখানে উপস্থিত গোল্ডউইনের ১৫ বছর বয়সী ছেলের দিকে ফিরে বললেন, তুমি কি বিষয়টি বুঝতে পেরেছ, স্যামি?সঙ্গে সঙ্গেই স্যামি উত্তর দিল, অবশ্যই, বিষয়টি আমার কাছে সম্পূর্ণ পরিষ্কার।
এটা শুনে গোল্ডউইন গর্জে উঠলেন, আমরা কবে থেকে শিশুতোষ চলচ্চিত্র বানাতে শুরু করেছি?

________________________________________


ড্রাইভিং লাইসেন্স

ট্রাফিকঃ আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখি।
চালকঃ কিন্তু স্যার, আমিতো খুব সাবধানে চালাচ্ছি, বেআইনি কোন কিছু করিনি।
ট্রফিকঃ সেজন্যইতো সন্দেহ হচ্ছে।
________________________________________


কার বেশি সুখ

: বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়?
: অব্যশই মেয়ে ।
: কেন ?
: যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না লাঠিতে ??
________________________________________


প্রেমিকার সামনে অন্য মেয়ের প্রশংসা করি না - মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
ঢাকা শহরে জনসংখ্যা এত বেশি হওয়ার একটা কারণ হতে পারেন তিনি। তাঁর ভাই বেরাদারের সংখ্যা অনেক। তবে জনসংখ্যা বাড়ানোর কোনো দায়দায়িত্ব নিতে এখনো তিনি অপারগ, তাই বিয়ে করছেন না। তিনি আর কেউ নন, জনপ্রিয় পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। আলোচনে তিনি জানিয়েছেন অনেক গোপন তথ্য। সঙ্গে ছিলেন জিনাত রিপা।
আপনি এত জনপ্রিয়, মৌসুমটাও নির্বাচনের, তাহলে নির্বাচনে প্রার্থী হলেন না কেন?
কারণ, এখন যৌবন যার, কোনো নারীর পাণিপ্রার্থী হওয়ার তাঁর শ্রেষ্ঠ সময়, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার নয়।
আপনি এবং হিমেশ রেশমিয়া দুজনই কেন টুপি পরেন?
আমি পরি ভাবে। আর হিমেশ পরে অ-ভাবে, চুলের অভাবে।
আপনার এত ভাইবেরাদার কেন?
এর জবাব পরিবার পরিকল্পনা বিভাগকে দিতে হবে। খোদার কসম, এখানে আমার কোনো হাত ছিল না। এই ব্যর্থতার দায় তাদের।
এখনো আপনি অবিবাহিত কেন?
এখানেও আমার কোনো হাত নেই। এটা বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সমস্যা। তারা গাছের কী পরিচর্যা করেছে জানি না! আমার বিয়ের ফুল এখনো কলি হয়ে ঝুলে আছে, ফুটছে না।
কেমন কনে আপনার পছন্দ?
সেই রকম!!!
প্রেমিকার কোন আবদারে আপনি না ভোটই দিয়ে যাবেন?
তোমার ফেসবুকের পাসওয়ার্ডটা দাও না, ময়না পাখি।
প্রেমিকা কেন প্রেমিকের বুকে বাসা বাঁধতে চায়, অন্য কোথাও নয়?
এ রকম বিনামূল্যে নিষ্কণ্টক প্লট আর কোথায় পাবে। উল্টো এই প্লটে বাসা বাঁধার পুরস্কারস্বরূপ নানা উপঢৌকন পাওয়া যায়।
এমন কী ব্যাপার আছে, যা সব সময় মেনে চলেন?
�প্রেমিকার সামনে অন্য মেয়ের প্রশংসা করি না।
প্রেমিক হিসেবে আপনি কেমন?
দুর্ধর্ষ!!!
নির্বাচনে আপনি যদি প্রার্থী হন, তবে ইশতেহারে দেওয়া প্রধানতম প্রতিশ্রুতি কী হবে?
নির্বাচনের পর কাহাকেও চিনিব না। চোখে টিনের চশমা লাগাইব।
শেষ পর্যন্ত কোন প্রশ্নটা করা হয়নি বলে আপনি আনন্দিত?
থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার কবে মুক্তি পাবে? কারণ, একেকবার একেক তারিখ বলতে বলতে ক্লান্ত। তবে এইটুকু বলতে পারি, নতুন বছরের উপহার হিসেবে সাউন্ডট্র্যাক বাজারে আসবে। তার মাস দুয়েক পর ছবি।
আপনার অনেক ভক্ত। আপনি কার ভক্ত?
আমি শক্তের ভক্ত, নরমের
প্রেমের মরা জলে ডোবে না কেন?
কারণ, প্রেমের মরা এমনই অপদার্থ যে জলও তাকে নিতে চায় না।
পাছে লোকে কিছু বলে-এই পাছের লোকটা সব সময় কী বলে?
তুমি সুন্দর, তাই চেয়ে থাকি। একি মোর অপরাধ?
রাতে ঘুম না এলে কী করেন?
জেগে থাকি।
ফুল ফোটে আবার ঝরে যায় কেন?
সামিনা চৌধুরীকে একটা গান উপহার দেওয়ার জন্য। যাতে তিনি গাইতে পারেন ফুল ফোটে, ফুল ঝরে।
পুরোনো ব্যালট বাক্স দিয়ে
বর্তমান নির্বাচনে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে পূর্ববর্তী নির্বাচনে ব্যবহৃত ব্যালট বাক্সগুলো বেকার হয়ে পড়েছে। সেগুলোকে তো আর ফেলে দেওয়া যায় না! সেগুলোও কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করা যায়। দেখা যাক কী কী কাজে লাগানো যায় সেগুলো-
মোড়া বানানো যেতে পারে
ভোট দিতে আসা ভোটাররা লাইনে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কাজেই তাদের বিশ্রামের জন্য পুরোনো ব্যালট বাক্স দিয়ে মোড়া বানানো যেতে পারে। সেই মোড়ায় ভোটাররা বসে বসে হাতপাখা নিয়ে বাতাসও খেতে পারেন।
ডাস্টবিন বানানো যেতে পারে
যেসব ভোট নষ্ট হবে, প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা সেগুলো ফেলার জন্য পুরোনো ব্যালট বাক্সকে ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। পুরোনো ব্যালট বাক্স বাতিল ভোটগুলো তো কমপক্ষে পাবে।
দান বাক্স হিসেবে
নির্বাচন করতে গিয়ে যে পরিমাণ খরচ হয়েছে, তা ওঠানোর জন্য নির্বাচন কমিশন ভোটারদের লাইনে দান বাক্স হিসেবে সেগুলো ব্যবহার করতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, কেউ যেন টাকার পরিবর্তে ভোট না দিয়ে ফেলে।
জাদুঘরে রাখার জন্য
নতুন প্রজন্মকে পুরোনো ব্যালট বাক্স সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার জন্য সেগুলো জাদুঘরে রাখা যেতে পারে। দেশীয় ঐতিহ্য সম্পর্কে তারা একটা ধারণা পাবে।

সূত্রঃ প্রথম আলো, ডিসেম্বর ডিসেম্বর ২২, ২০০৮
________________________________________


তিন নম্বরটা খাওয়া যাবে

দুই নান গেছে কাঁচাবাজারে সব্জি কিনতে। ঘুরে ঘুরে এটা দেখে সেটা শুঁকে কিছুতেই পছন্দের সাইজের মুলা কিনতে পারলো না তারা। শেষমেশ তারা শসাঅলার কাছ থেকে দুটো শসা কিনলো।
শসাঅলা একগাল হেসে বললো, নেন সিস্টার, এই যে আরেকটা। আজকে আমার ইস্পিশাল বিক্রি, দুইটা কিনলে একটা ফ্রি।
এক নান অন্যজনের দিকে ফিরে বললো,বাহ্, মন্দ কী? চল, তিন নম্বরটা খাওয়া যাবে। 
________________________________________


পোস্টমাস্টার ভিতরে ছিলো নাকি বাইরে

এক পোস্টমাস্টার গেছে দাওয়াত খাইতে, কিন্তু ভুলে বেচারা প্যান্টের চেইন লাগায় নাই
পার্টিতে এক লোকের তা দেইখা তো আক্কেল গুড়ুম। সরাসরি তো আর বলা যায়না যে চেইন খোলা। তাই সে কায়দা কইরা বলল, ভাই, আপনার পোস্টঅফিস তো খোলা।
কিন্তু পোস্টমাস্টার ইংগিতটা বুঝলো না, সে কয়- না না , পোস্টঅফিসে আমি নিজের হাতে তালা মাইরা আইছি। খোলা না, বন্ধই আছে।
তো ঐ লোক যতই বোঝায়, পোস্টমাস্টার বুঝে না, কয় বন্ধ, বন্ধ, নিশ্চয়ই বন্ধ।
তো লোকটা হাল ছাইড়া দিয়া চইলা গেলো। পরে পোস্টমাস্টার বাসায় ফিরা দেখে তার চেইন খোলা। সাথে সাথে সে সব বুঝলো, বুইঝা তো পাইলো ব্যাপক শরম। কিছুক্ষণ ঝিম মাইরা থাইকা ফোন করলো ঐ লোকটারে।
ফোন কইরা কয়- ভাই, এইবার আমি বুঝছি আপনি কি বুঝাইতে চাইছিলেন। তা ভাই যখন খোলা আছিলো, তখন কি পোস্টমাস্টার ভিতরে ছিলো নাকি বাইরে?
________________________________________


পুরুটাই আনন্দের

একজন জেনেরেল, একজন কর্নেল এবং একজন মেজরের মাঝে আলোচনা হচ্ছে।
জেনেরেলঃ সেক্সের ষাট ভাগ পরিশ্রম আর চল্লিশ ভাগ আনন্দের।
কর্নেলঃ সেক্সের পচাত্তর ভাগ পরিশ্রম আর পচিশ ভাগ আনন্দে।
মেজরঃ সেক্সের নব্বই ভাগ পরিশ্রম আর দশ ভাগ আনন্দের।
এক সময় একজন জওয়ান আসলো তাদের কাছে। জেনেরেল বললেন, ঠিক আছে, ঐ জওয়ান ব্যাটাকে জিঞ্জেস করা হোক। অন্য দুজন তা মেনে নিল।
জওয়ান বললো , সেক্সের পুরুটাই আনন্দের। এ কথা শুনে তারা তিন জন এক সাথে বলে উঠল, কেন তুমি একথা বললে ?
জওয়ান বললো, পরিশ্রমের হলে তো কাজটা আমকেই করতে দিতেন, আপনার করতেন না।
________________________________________


আর না�

এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে গল্প করছে।
ফরাসী বলছে, গত রাতে আমার বউকে চারবার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।
ইতালীয় বলছে, গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চম কার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।

বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে ক বার আদরসোহাগ করেছো?
বাঙালি বললো, একবার।
ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?
ওগো, থামো, আর না �।
________________________________________


আমি এখানে কী করি
এক খামার মালিক শখ করে একটা জেব্রা কিনে এনেছে আফ্রিকা থেকে।
এক ভোরে জেব্রাটা বেরিয়ে এলো তার আস্তাবল থেকে। খামারের ভেতরে ঘুরতে লাগলো সে, আর ভাবতে লাগলো, এখানে তার কাজ কী হতে পারে।
প্রথমে তার দেখা হলো একটা মুরগির সাথে। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো?
মুরগি জবাব দিলো, সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে ডিম পাড়ি।
এরপর তার দেখা হলো একটা গরুর সাথে। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো?
গরু জবাব দিলো, সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে দুধ দিই।
তার দেখা হলো একটা শুয়োরের সাথে। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো?
শুয়োর ঘোঁতঘোঁত করে জবাব দিলো, সুপ্রভাত। মালিক আমাকে মেরে আমার মাংস খায়।
জেব্রা কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে সামনে এগোলো।
এবার তার দেখা হলো একটা ষাঁড়ের। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো?
ষাঁড় জেব্রাকে আপাদমস্তক দেখে মুচকি হেসে জবাব দিলো, সুপ্রভাত। তুমি তোমার পাজামাটা খোলো, আমি তোমাকে দেখাচ্ছি আমি এখানে কী করি।
________________________________________


আগে যেতে পারলেই হলো

এই চুকচাটা বুঝি চালাক!
ভূতাত্ত্বিককে নিয়ে সে গেছে বরফাচ্ছাদিত বনে। এ সময় একটা শ্বেতভালুক তেড়ে এল।
চুকচা দ্রুত স্লেজগাড়িতে উঠে বসল।
ভূতাত্ত্বিক বলল, কোনো লাভ নেই। শ্বেতভালুকের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পারবে না।
চুকচা বলল, শ্বেতভালুকের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার কোনো ইচ্ছে আমার নেই। তোমার চেয়ে আগে যেতে পারলেই হলো।
________________________________________


আইজ যাইতেছি ওয়াটার কিংডমে
একবার এক ট্র্যাফিক পুলিশ দেখে কী একটা অদ্ভুত জন্তুর পিঠে এক সর্দারজী বইসা মনের সুখে হেইলা দুইলা আইতেছে । পুলিশের কাছে আইসা সর্দারজী কয়, �ওস্তাদ, এই জানোয়ারের জাত কী মামা?�
এইটারে কয় জলহস্তী, তুমি এইটার পিঠে চড়লা ক্যামনে?
জলহস্তী? আমি ভাবছি এইটা বোধহয় স্থল-মহিষ । বাচপান কালে কতো চড়াইসি বাপের বাথানে! আমি হের নাম দিসি কাল্লু !
তুমি শিগগির এইটারে চিড়িয়াখানায় রাইখা আসো । নাইলে খবর আছে!
ঠিক হ্যায়, ওস্তাদ । অ্যাই কাল্লু! হ্যাট ! হ্যাট হ্যাট! চল্, চিড়িয়াখানায় যাই!
পরের দিন সেই পুলিশ দেখে ঠিক সেই সর্দারজী, ঠিক সেই কাল্লু থুক্কু জলহস্তীর পিঠে মহা আয়েশ কইরা আসতেছে ।
সর্দারের পো! তোমারে না গতকাল কইছি জানোয়ারটারে নিয়া চিড়িয়াখানায় যাইতে?
গেছিলাম তো ! কাল্লুর খুব পছন্দ হইছিল । আইজ যাইতেছি ওয়াটার কিংডমে ! অ্যাই কাল্লু! হ্যাট! হ্যাট! হ্যাট!
________________________________________


পার্কে একটা বিরাট কুকুর নিয়ে বসে আছে বাবু। এক তরুণী যাচ্ছিলো পাশ দিয়ে, দাঁড়িয়ে বললো, বাহ, বেশ তো কুকুরটা!
বাবু হাসলো। হ্যাঁ। খুব রোমান্টিক ও। আর মেয়েরা তো ওকে খুব পছন্দ করে, দারুণ সেক্স করতে পারে কি না।
তরুণীর চোখে আগ্রহ ফুটলো। তাই? ফিসফিস করে জানতে চাইলো সে।
বাবু বললো, হ্যাঁ, দেখতে চান? চলুন আমার বাসায়।
বাড়ি ফিরে মেয়েটাকে সাথে নিয়ে নিজের ঘরে এলো সে। মেয়েটাকে জামাকাপড় খুলতে বলে সে কুকুরটার দিকে ফিরলো, কালু, এই আপুটাকে আদর করো তো!
কালুর কোন ভাবান্তর হলো না।
বাবু আবার হুকুম দিলো, তবুও সে গ্যাঁট হয়ে বসে রইলো।
এবার বাবু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে প্যান্ট খুলতে খুলতে বললো, ঠিক আছে, কালু, তোমাকে দেখিয়ে দিচ্ছি কিভাবে কী করতে হবে, কিন্তু এ-ই শেষবার, বলে দিচ্ছি!
________________________________________


বলুন তো আমি কে?
আমি এমন একজন, যাকে দুই লিঙ্গের মানুষই উপভোগ করে থাকে।
আমি ধরুন গিয়ে, ছয় থেকে আট ইঞ্চির মতো লম্বা, আমার একদিকে কিছু রোঁয়া আছে, অন্যদিকে আছে একটা ফুটো।
সাধারণত আমি শুয়েই থাকি সারাদিন, কিন্তু যে কোন সময় আমি কাজের জন্যে দাঁড়িয়ে যেতে রাজি।
আর কী কাজ রে ভাই! একটা ভেজা ভেজা জায়গায় আমাকে বারবার যেতে আর আসতে হয়। কাজ শেষ হলে সাদা, আঠালো কিছু পদার্থ পেছনে ফেলে রেখে আমি আবার আগের জায়গায় ফিরে যাই। অবশ্য যাওয়ার আগে আমাকে পরিষ্কার করা হয়।
বলতে পারলেন না তো? আরে, আমি তো আপনার �

















� টুথব্রাশ! কী ভাবছিলেন আপনি আমাকে?
খাচ্চর কোথাকার? 
________________________________________


দুই কালসিটে বসা চোখ নিয়ে ফিরলো জুমন।
রুমমেট সুমন বললো, কী রে, কী হয়েছে?
জুমন বললো, আর বলিস না। বাসে বসেছিলাম, এক মহিলা দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলো। তো, হয়েছে কি, মহিলার শাড়িটা পেছনে এমন বিচ্ছিরি ভাবে এঁটেছিলো, ঠিকমতো দাঁড়াতে পারছিলেন না। আমি ভাবলাম, ওজায়গায় শাড়িটা আঙুল দিয়ে এক চিমটি টেনে একটু ঢিলে করে দিই, ওনার সুবিধে হবে। ঐ কাজ করতেই মহিলা পেছন ফিরে এক ঘুঁষি মারলো আমার বাম চোখের ওপর।
আয় হায়। আর ডান চোখে কী হয়েছে?
মার খেয়ে আমি ভাবলাম, যেমন ছিলো তেমনটাই করে দিই। তাই আঙুল দিয়ে খুঁচিয়ে আবার ওটা আগের মতো আঁটো করে দিলাম �।
________________________________________


এক শহরের ইমাম, পাদ্রী, আর রাবাই একবার বেরিয়েছে ঘুরতে।
ঘুরতে ঘুরতে তারা তিনজন শহরের পাশে একটা অপূর্ব নির্জন লেকের সামনে হাজির হলো। যেহেতু ধারেকাছে কেউ নেই, কিছুক্ষণ আলাপ করে তারা সিদ্ধান্তে এলো, তারা কাপড়চোপড় খুলে পানিতে নামবে।
যে-ই ভাবা সেই কাজ, একটা ঝোপের আড়ালে কাপড় খুলে রেখে তিনজনই পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়লো।
ঘন্টাখানেক পানিতে হুটোপুটি করে, এই মুক্তির স্বাদ উপভোগ করে তিন ধর্মযাজক আবার তীরে উঠে এলো। তারা ঝোপের দিকে এগোতে যাবে, এমন সময় শহরের একদল নারীপুরুষ সেখানে এসে হাজির। কী করা উচিত, বুঝতে না পেরে ইমাম আর পাদ্রী তাদের নাভির নিচটা দুহাতে ঢেকে ফেললেন, আর রাবাই ঢাকলেন তার মুখ। তারপর তিনজনই ভোঁ দৌড় দিলেন ঝোপের আড়ালে।
লোকজন চলে যাওয়ার পর পাদ্রী আর ইমাম রাবাইকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তিনি তাঁদের মতো লজ্জাস্থান না ঢেকে মুখ ঢেকে ফেলেছিলেন।
রাবাই নির্বিকার মুখে বললেন, আপনাদের জমায়েতে কী হয়, আমি বলতে পারবো না, কিন্তু আমার জমায়েতের লোক আমাকে যা দেখে চিনে ফেলবে, সেটা হচ্ছে আমার মুখ।
________________________________________


বনের রাজা টারজানের বয়স যখন প্রায় তিরিশ তখন তার লাইফে জেন এর আবির্ভাব ঘটে।তার আগ পর্যন্ত টারজান বনে পশুপাখিদের সাথেই দিন গুজরান করতো।একবার চিন্তা করেন তিরিশ বছর ধরে সে জঙ্গলে বাস করছে, সেখানে নানারকম পশুপাখি থাকলেও কোন মানুষ নেই।উদ্ভাবনী মস্তিষ্কের অধিকারী টারজান তাই বিভিন্ন গাছের গায়ে ফুটো করে নিয়েছে, প্রথম রিপুকে মোকাবেলা করার জন্যে।
তো জেন আসার কিছু পরের ঘটনা..... জেন একদিন জঙ্গলে গিয়ে দেখলো, টারজান মহা উল্লাসে একটি গাছের সাথে প্রেম করে চলছে।
এই দৃশ্য দেখে জেন খানিকটা ভালোবাসা, খানিকটা অনুকম্পা বোধ করলো টারজানের জন্যে...জামাকাপড় খুলে আড়াল ছেড়ে বেরিয়ে এসে টারজানের উদ্দেশ্যে নিজেকে নিবেদন করলো।
টারজান তখন গাছ ফেলে ছুটে এসে জেনকে অবাক চোখে কিছুক্ষণ দেখলো, তারপর জেনের পেটে কষে একটা লাথি মারলো।
পেট চেপে ধরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো জেন।�জংলি ভূত, আমি তোমাকে প্রেম নিবেদন করলাম, আর তুমি কি না আমাকে লাথি মারলে?� চেঁচিয়ে উঠলো সে।
টারজান এগিয়ে এসে জেনকে জাপটে ধরে বললো, �আমাকে ভুল বুঝো না প্লিজ সবসময় চেক করে দেখি, কাঠবিড়ালি আছে কি না।�
________________________________________


খালাম্মা পিচ্চি ভাগ্নেকে - এস খোকন , এস লক্ষীটি একটা পাপ্পি দিয়ে যাও।
খোকন- না , পাপ্পি দিলে তুমি আমায় চড় মারবে ।
খালা- কবে তোকে চুমু দেওয়ার সময় চড় মারলাম, খোকন ?
খোকন- আহা আমাকে মারনি তবে একটু আগে ঘরের মধ্যে বাবাকে তো মেরেছ আমি দরজার ফাক দিয়ে দেখতে পেলাম। 
________________________________________


পাভেলের বড় বিপদ, তার ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ বিশেষ প্রত্যঙ্গটি নিয়ে গাড্ডায় পড়েছে সে।কোনও মেয়েকে সে ঠিক খুশি করতে পারে না, আবার এই আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও নানা হাঙ্গামা।একদিন জঙ্গলে এক সাধু বাবার আস্তানায় ধর্ণা দিলো সে।তার সমস্যার কথা খুলে বলে কাকুতিমিনতি করে জানালো, বাবা যদি কোনোভাবে ২৫ ইঞ্চি থেকে তাকে ১০-এ নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে।
সাধুবাবা মিনিট পাঁচেক চোখ বুঁজে ধ্যান করে বললেন, �এখান থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের এভতর পাঁচশ কদম হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি।ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং, কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে।তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায় কি না।যদি উত্তরে না বলে, ৫ ইঞ্চি কমে যাবে।এখন যা বেটা।হক মাওলা!�
বাবু ৫০০ কদম এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো।ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো, সত্যিই এক ঢাউস সাইজ ব্যাং বসে।সে গলা খাঁকরে শুধালো, �ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?�
গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, �না!�
পাভেল টের পেলো, ২০-এ নেমে গেছে সে।কিন্তু এতেও অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, �ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?�
আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, �না!�
বাবু ১৫-তে নেমে এলো।
উল্লসিত বাবু আবারো জিজ্ঞেস করলো, �বলি ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?�
এবার উত্তর এলো, �এক কথা কতবার বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা? না, না, না! 
________________________________________


হাবা ভন্ডুল এর ছোটবেলার কাহিনী। পোলাডা একদিন দেখে এক বড় ভাই একটা মেয়েরে চুমু দিচ্ছে। বাসায় এসে ভন্ডুল মারে কয়, আম্মা! চুমা দিলে কি হয়? �
ওর মা ত খুব কড়া। সে চায় পোলা ভালা থাকুক। এইসব পাপ যাতে না করে তাই ডর দেখানের লাইগ্যা ভন্ডুলরে কইল, � চুমা দেয়ার পর পোলাগুলার শরীর আস্তে আস্তে পাথর হইয়া যায়, পরে মাটিত পইরা মইরা যায়।�
ভন্ডুল কয় সত্যি?
মা কয় - হ
ভন্ডুল আস্তে আস্তে বড় হয়।যুবক হইলে একদিন এক মাইয়ার সাথে কথা হয়। কথায় কথায় সম্পর্ক হয়। মেয়েটা একদিন হাবা ভন্ডুলরে চুমা দিতে চায়। ভন্ডুল মানা করে। 
আমার আম্মা কইছে মেয়েদের চুমা দিলে আমি মারা যামু।
বোকা! আসো। বলে মেয়েটা এগিয়ে একটা চুমা দিল। চুমা শেষ না করতেই করতেই হাবা ভন্ডুল আম্মা ঠিকই কইছিল বলে মাটিতে শুয়ে গড়াগড়ি দেয়া শুরু করছে। 
কি হইছে?
আল্লাহ রে। আমি পাত্থর হইয়া মইরা যামু। তোমারে চুমা দিতে না দিতেই আমার শরীরের একটা অংশ শক্ত হওয়া শুরু করছে।
________________________________________


এক বেদুঈন উটে চড়ে মরুভূমি পার হচ্ছে।
দীর্ঘ যাত্রা...দিনের পর দিন মরুভূমিতে চলতে চলতে হাঁপিয়ে উঠেছে সে, বার বার মনে পড়ছে বাড়িতে রেখে আসা সুন্দরী বউ এর কথা।সোজা কথায় সেক্সের জন্যে আনচান করছে মন।অবশেষে একদিন সে ঠিক করলো, উটটাকেই ব্যবহার করবে সে।যে-ই ভাবা সে-ই কাজ, উটের পিঠ থেকে নেমে সে উটের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালো।কিন্তু উট তার মতলব বুঝতে পেরে দিলো ছুট।
খানিকটা ছুটে হাঁপাতে হাঁপাতে উটটাকে পাকড়াও করে আবার মরুভূমি পাড়ি দিতে লাগলো বেদুঈন।কিন্তু পরদিন ভোরে আবার তার খায়েশ হলো।আবারও সে উটের পেছনে গিয়ে দাঁড়ালো।উটও আগের মতো ছুট দিলো।বেদুঈন গালি দিতে দিতে আবার উটটাকে পাকড়াও করে পথ চলতে লাগলো।
এমনি করে একদিন সে মরুভুমির মাঝে এক হাইওয়ের পাশে এসে দাঁড়ালো।দেখল সেখানে একটা গাড়ি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে, আর গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে স্বল্পবসনা অপরূপ রূপসী তিন তরুণী।উট থেকে নেমে এগিয়ে গেলো সে।
এরপর স্মার্টলি জিজ্ঞেস করল �আপনাদের কিভাবে হেল্প করতে পারি?�
তরুণীদের একজন, সবচেয়ে আবেদনময়ী যে, লাস্যময়ী ভঙ্গিতে বললো, �দেখুন না, গাড়িটা নষ্ট হয়ে আছে।আমরা অনেকক্ষণ ধরে ওয়েট করছি কিন্তু মরুভুমির মাঝে এই পোড়া হাইওয়েতে কারুরই দেখা পাচ্ছি না যে আমাদের হেল্প করতে পারে।এখন যে কী হবে! এখন কেউ যদি গাড়িটা ঠিক করে দিতো, তাহলে সে যা চাইতো তা-ই দিতাম আমরা।�
বেদুঈন শুনে জিভ দিয়ে ঠোঁট চাটলো একবার।তারপর এগিয়ে গিয়ে বনেট খুলে তিন মিনিট ঘাঁটাঘাঁটি করতেই গাড়ি আবার জ্যান্ত হয়ে উঠলো।তিন রূপসী এবার ঘিরে ধরলো তাকে।বলুন কিভাবে আপনার এই উপকারের প্রতিদান দিতে পারি?� মোহনীয় ঠোঁটে ঈঙ্গিতময় হাসি নিয়ে জানতে চাইলো তারা।

বেদুঈন খানিকটা ভেবে বললো, �আপনারা পাঁচ মিনিটের জন্যে আমার উটটাকে একটু শক্ত করে ধরে রাখতে পারবেন?�
________________________________________


নিউ ওয়েভ পত্রিকার নিজের কামরায় মুখে জোর করে একরাশ গাম্ভীর্য টেনে বসে আছেন পঞ্চাশোর্ধ্ব সম্পাদক সাহেব।কিছুক্ষণ আগে তাঁর এক বন্ধু এসেছিলেন।তিনি বেশ কিছু রসালো গল্প শুনিয়ে গিয়েছেন তাঁকে।চুইংগাম চিবুতে চিবুতে আপনমনেই সেই গল্পের জাবর কাটছিলেন তিনি।আর মাঝেমধ্যে আপনমনেই হেসে উঠছিলেন।

হঠাৎ তাঁর কামরায় এক তরুণের আবির্ভাব।দেখেই বোঝা যায়, ইনি একজন উঠতি লেখক।সংকোচ, লাজুক লাজুক মুখ আর চোখে ভীরু-সন্ত্রস্ত চাউনি।হাতে রোল করা একগুচ্ছ কাগজ।সম্ভবত স্বহস্তে রচিত গল্প, উপন্যাস অথবা কবিতার পাণ্ডুলিপি।এ পত্রিকায় ছাপানোর বাসনা নিয়ে সঙ্গে করে এনেছেন।এমনভাবে লেখাটি ধরে আছেন তিনি, যেন ওটা একটা সদ্য ফোটা গোলাপ, যা অতিসাবধানে তুলে এনেছেন প্রিয়াকে উপহার দেওয়ার জন্য।
তরুণটিকে দেখামাত্র টেবিলে রাখা ফাইলে গভীর মনোনিবেশ করলেন তিনি।তিনি এখন কাজে খুব ব্যস্ত-এটা বোঝানোর চেষ্টা।
জলজ্যান্ত তরুণটি তাঁর নজরেই পড়ল না।তাই সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আস্তে করে গলা খাঁকারি দিলেন তরুণ।তারপর একটু উশখুশ করে সামনের টেবিলে ইচ্ছে করে দুইবার গুঁতোও দিলেন তিনি।কাজ হলো না।শেষ পর্যন্ত কাতর কণ্ঠে তোতলাতে তোতলাতে তরুণ বললেন, �একটা গল্প এনেছিলাম, যদি দয়া করে দেখতেন।এর আগে আমি দু-চারটা অন্য ম্যাগাজিনেও লিখেছি।�
সম্পাদক সাহেবের দৃষ্টি যেমন ফাইলে ডুবে ছিল তেমনি রইল।শুধু মুহূর্তের জন্য বাঁ হাতের আঙ্গুলটা উল্টে �কচু� দেখানোর ভঙ্গি করলেন।আসলে তিনি ওই ঘরের মধ্যে বসে থাকা এক ব্যক্তিকে দেখিয়ে দিলেন নিঃশব্দে।
কাঠপেনসিলের মতো সরু এক ভদ্রলোক সম্পাদকের আঙ্গুল বরাবর আয়েশ করে চেয়ারে বসে সিগারেট ফুঁকছেন।তাঁর সামনের টেবিলে পড়ে আছে বিশাল আকৃতির এক খাতা।হাত থেকে পাণ্ডুলিপিটি নিয়ে বিশাল ওই খাতাটায় তরুণের নাম-ধাম চটপট তুলে নিয়ে বললেন, �এখন আপনি আসতে পারেন।�
�আমি আবার কবে আসব?� আমতা আমতা করে বললেন তরুণ।চোখে মিনতি ঝরে পড়ল তাঁর।
�আর আসতে হবে না আপনাকে।লেখা মনোনীত হলে আমরাই জানাব।�
এ জানানোটা যে কী আর ওই বিশাল আকারের খাতাটি যে কী ভয়ঙ্কর, তরুণ তা খুব ভালো করেই জানেন।
এরপর একে একে আরও তিন তরুণ ঢুকলেন সম্পাদকের কামরায়।তিনজনই পরপর নিস্তেজ-নিষ্প্রাণ হয়ে বেরিয়ে এলেন।দৃশ্যপটে প্রথম তরুণের আবির্ভাব ঘটল পুনরায়।জমা দেওয়া লেখাটির ব্যাপারে জানতে এসেছিলেন বোধহয়।কিন্তু চোখের সামনে দৃশ্যটা দেখে চুরমার হয়ে গেল তাঁর ভেতরটা।হয়েছে কি, সম্পাদক সাহেবের টেবিলে চা রাখতে গিয়ে ছলকে পড়ল খানিকটা।সহকারী সাহেব মহা বিরক্ত হয়ে হাতের কাছে মোছার মতো কিছু না পেয়ে তরুণটির সাধের লেখাটি থেকে খানিকটা কাগজ ছিঁড়ে নিলেন।তারপর টেবিলটা মুছে টেবিলের নিচের ওয়েস্টপেপারের বক্সে ফেলে দিলেন।বাকিটুকুর কী হাল হবে বুঝতে দেরি হলো না তরুণের।
কিছুক্ষণ পর কামরার দৃশ্যপটে আবার পরিবর্তন এল।দৃশ্য পরিবর্তনের কারণ সুদর্শনা এক তরুণীর আবির্ভাব।তার সুগন্ধির সৌরভে ঋষির ধ্যান ভাঙল যেন।সম্পাদকের জমাটবাঁধা বিরক্তি মুহূর্তেই বরফের মতো গলে পানি হয়ে গেল।কান পর্যন্ত বিস্তৃত দেঁতো হাসিতে আর চকচকে আগ্রহী চোখে সাদর অভ্যর্থনায় তরুণীকে বসতে দিলেন তিনি।
তরুণীটি একটু হেসে সম্পাদক সাহেবকে ধন্যবাদ জানিয়ে বললেন, �একটা লেখা এনেছিলাম।�
�অবশ্যই! আপনার মতো তরুণীদের ভালো লেখার জন্যই এতকাল আমি অপেক্ষা করছি।�
সম্পাদক সাহেব অত্যন্ত আগ্রহসহকারে তরুণীর হাত থেকে পাণ্ডুলিপিটি নিলেন।পাতা উল্টে দু-একটা লাইনে চোখ বুলিয়ে বললেন, �ওহ্, চমৎকার! অপূর্ব! আমার নিউ ওয়েভ পত্রিকার ক্রিসমাস সংখ্যাতেই ছাপাব এটি।�
সম্পাদকের অতি উচ্ছ্বাস দেখে অবাক তরুণী বললেন, �মাত্র দু-এক লাইনে চোখ বুলিয়ে কী করে বুঝলেন যে লেখাটি ভালো হয়েছে?�
�আরে, আমি জহুরি।আমি না চিনলে কে চিনবে বলুন!�
অনেক অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে তরুণীটি উঠতে যাচ্ছিলেন।সম্পাদক সাহেব অনুরোধ করে তাঁকে আবার বসালেন।তারপর বেয়ারাকে ডেকে এক কাপ স্পেশাল চা আর ডাবল ডিমের পোচ আনতে বললেন।তরুণী লজ্জা পেয়ে বললেন, �আবার এসব কেন।�
�আরে, কী বলেন আপনি! আপনার মতো একজন লেখককে আমি এমনি এমনি ছেড়ে দেব ভেবেছেন?� তরুণীটি তখন হঠাৎ বললেন, �আপনি আমাকে লেখিকা ভেবেছেন বুঝি? এটা আমার লেখা নয়।এটা আমার বাবার লেখা!�
এ কথা শুনেই জোঁকের মুখে লবণ পড়ার মতো মুখের অবস্থা হয়ে গেল সম্পাদকের।তেতো ঢোক গিলে বললেন তিনি, �তা বাবার লেখা আপনি নিয়ে এসেছেন কেন?�
একটু যেন লজ্জা পেয়ে তরুণী বললেন, �বাড়িতে বিয়ের কারণে বাবা ব্যস্ত।আর তাঁকে না জানিয়ে তাঁর লেখাটি পত্রিকায় ছাপলে দারুণ একটা সারপ্রাইজ দেওয়া যাবে তাঁকে।�
একরাশ বিষাদ নিয়ে সম্পাদক জিজ্ঞেস করলেন, �ও, বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত? তা কার বিয়ে?�
তরুণীটি লাজুক হেসে বললেন, �আমার!�
সম্পাদক সাহেব যেন বোবা হয়ে গেলেন।নিস্তব্ধতা ভেঙে তরুণী বললেন, �লেখাটা একনজরে যখন আপনার এত পছন্দ হয়েছে, তখন ক্রিসমাস সংখ্যায় না হোক, পরবর্তী সংখ্যায় নিশ্চয়ই ছাপাবেন।কিন্তু আমি আর আসতে পারব না।�
�কেন? আপনি কোথায় যাবেন?�
�বিয়ের পরই বন থেকে হানিমুনে সুইজারল্যান্ড তারপর রিভিয়েরা।�
এমন সময় বেয়ারা এসে জানালেন, �স্যার, ক্রিস্টোফারের ডিমের অমলেট ভাজতে নাকি একটু দেরি হবে।ডিম নাকি ফুরিয়ে গেছে।তাই আনতে পাঠিয়েছে।তা এখন শুধু স্পেশাল চা-ই নিয়ে আসব? পরে নাহয় আনা যাবে ওটা�
খেঁকিয়ে উঠে সম্পাদক সাহেব বললেন, �যা এখান থেকে, কিছুই আনতে হবে না।যা, ভাগ!� 

________________________________________


এক দোকানদার তার নতুন কর্মচারীকে বলছে, কোন ক্রেতাকে ফিরিয়ে দিবি না।যেমন কেউ ডেটল সাবান নিতে আসলে না থাকলে স্যাভলন সাবান ধরিয়ে দিবি একথা বলে দোকানদার বাইরে গেল।
কিছুক্ষণ পর এক ক্রেতা দোকানে এসে কর্মচারীকে বলল, টয়লেট টিস্যু আছে।
: টয়লেট টিস্যু নাই।তবে সিরিষ কাগজ আছে।আইজকা সেইটা দিয়া কাজ চালান।কাইলকা টিস্যু পেপার পাইবেন। 
________________________________________


এক তরুণী জঙ্গেল হারিয়ে গেছে।
ঘোড়ায় চড়ে এক রেড ইন্ডিয়ান এসে তাকে প্রস্তাব দিলো কাছের শহরে পৌঁছে দেয়ার।
রাজি হয়ে তরুণী তার ঘোড়ার পেছনে চড়ে বসলো। ঘোড়া ছুটতে লাগলো।
কিন্তু কোন এক বিচিত্র কারণে একটু পরপর রেড ইন্ডিয়ান লোকটি �আআআআআহহ� করে বিকট চিৎকার দিতে লাগলো।
শহরে পৌঁছে বাস স্টেশনের সামনে লোকটি নামিয়ে দিলো তরুণীকে, তারপর আরেকটা বিকট ইয়াহু চিৎকার দিয়ে উল্টোপথে ছুটে গেলো।
বাস স্টেশনের অ্যাটেন্ড্যান্ট বললো, �কী ব্যাপার, কী করেছেন আপনি, লোকটা অমন ক্ষেপে গেলো কেন?�
ঘাবড়ে গিয়ে তরুণী বললো, �কিছুই না। আমি তো ওর পেছনে ঘোড়ায় চড়ে বসেছিলাম, আর ওর হাত বাড়িয়ে ওর স্যাডলের সামনের দিকে হ্যান্ডেলটা শক্ত করে চেপে ধরে রেখেছিলাম শুধু।�
অ্যাটেন্ড্যান্ট বললো, �মিস ,আপনি ভুল জায়গায় হাত দিয়েছেন কারণ রেড ইন্ডিয়ানদের ঘোড়ায় স্যাডল থাকে না।�
________________________________________


সাইকেল দুর্ঘটনার পর
সাইকেল আরোহী : আপনি আসলে লাকি মানুষ?
মহিলা : আহত করেও বলছেন, আমি লাকি?
সাইকেল আরোহী : আজ আমার অফ ডে, তাই সাইকেল চালাচ্ছি, আসলে আমি ট্রাক ড্রাইভার। 
________________________________________


এক বখাটে ছেলে রাস্তায় একটি মেয়েকে দেখেই তার পাশের বন্ধুটিকে বলল, আরে চন্দ্র তো জানি রাতের বেলাই আলো ছড়ায়, আজ দেখছি দিনের বেলাতেই ছড়াচ্ছে।
তখন মেয়েটি সঙ্গে সঙ্গে জবাব দিল প্যাঁচা তো রাতের বেলাই ডাকে, আজ দেখছি দিনের বেলাতেই ডাকছে। 
________________________________________


� জান মা, আপা না অন্ধকারে দেখতে পায়!
� কি করে বুঝলি?
� আমি শুনেছি ও ঘরে অন্ধকারে আপা সাকিব ভাইকে বলছে�"এ কী! আজ শেভ কর নি?" 
________________________________________


:: আইন কেন একজন পুরুষকে একাধিক বিয়ে করতে দিতে সম্মত হতে চায় না?
:: কারণ একজনকে একটি অপরাধের শাস্তি মাত্র একবারই দেওয়া যায়। 
________________________________________


পুলিশ - কিরে এত মাইর খাইলে কি করে?
ধৃত ব্যক্তি : আর বইলেন না, মানুষের চাপাচাপিতে হাত থেকে ফটোটা এক মহিলার পায়ের নিচে পড়ে যায়।
পুলিশ-এর জন্য মাইর খেতে হবে নাকি।
ধৃত ব্যক্তি : মহিলাকে বললাম, আপা কাপড় তুলেন ছবি তুলব। 
________________________________________


বিমান চলছে। এক পেসেঞ্জার হঠাৎ করে হুরমুর করে প্লেনের চালকের ঘরে ঢুকে পড়লো। চালকতো অবাক। চালককে আরোও অবাক করে দিয়ে লোকটা চালকের হেডফোনটাকে ছিনিয়ে নিল।

তারপর লোকটা বলল, "হারামজাদা! আমরা টাকা দেব আর তুমি এইখানে বইসা কানে হেডফোন লাগাইয়া গান শুনবা!!!" 
________________________________________


এক তরুণী মেয়ে আর এক বুড়ো দাদু গিয়েছে ওজন মাপতে। প্রথমে মেয়েটা ওজন মাপাবার যন্ত্রে উঠলো, যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল, টিকেট বেরিয়ে এল, ওজন ৬৪কেজি।
এবার মেয়েটা নামলো, কাধ থেকে ব্যাগটা নামাল, আবার যন্ত্রের উপর উঠলো, যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল, টিকেট বের হয়ে এল, ওজন ৬৩কেজি।
আবার মেয়েটা নামলো, জ্যাকেটটাকে খুলল, যন্ত্রের উপর উঠলো, যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল, টিকেট বের হয়ে এল, ওজন ৬২কেজি।
আবার মেয়েটা নামলো, দোপেয়েটাকে খুলল, যন্ত্রের উপরে উঠলো, কয়েন শেষ।
এতক্ষণ ধরে বুড়ো দাদু সবকিছু দেখছিল। এবার সে কেশে বলল, "খুকী, চালিয়ে যাও। কয়েন লাগলে আমি দেব।" 
________________________________________


একজন আমেরিকান, একজন ভারতীয় আর একজন বাংলাদেশী বিমানে করে এক জায়গায় যাচ্ছে। পথে বিমানটি ক্রাশ করলো। তারা তিনজন প্যারাসুটে করে একটা জঙ্গলের উপরে নামলো এবং জংলীদের হাতে পড়লো।

জংলীদের কাছে মুক্তি চাইলে ওরা বলল, "তোমাদেরকে আমরা মুক্তি দেব তবে একটা শর্ত আছে। তোমরা এই জঙ্গল থেকে আমাদেরকে এমন একটা ফল এনে দেবে যেটা আমরা কখনো খাইনি। যদি আমরা সেই ফলটাকে আগে খেয়ে থাকি তাহলে তোমাদের আনা ফলটাকে তোমাদের পশ্চাৎদেশ থেকে ভরা হবে।"
তারপর তিনজন লোক ফল সংগ্রহে নেমে পড়লো। আমেরিকান লোকটি অনেক খুজে একটা বাদাম নিয়ে এল। জংলীরা আগে বাদাম খেয়েছে। তাই বাদামটা আমেরিকানের পশ্চাৎদেশ থেকে ঢুকানো হল।
ভারতীয় লোকটা আনলো একটা বেল। বেলও জংলীরা খেয়েছে। তাই বেলটাকে তার পশ্চাৎদেশ থেকে ভরা হল। যখন ঢুকানো হচ্ছিল তখন ভারতীয় লোকটা একত্রে কাদছিল আর হাসছিল। হাসার কারণ জানতে চাইলে সে বলল, "বাংলাদেশী লোকটা একটা কাঠাল নিয়ে আসছে।" 
________________________________________


একদিন এক ব্যাঙ ভাগ্য পরীক্ষা করার জন্য জোতিষীর কাছে গেলো।
জোতিষী তাকে বললো : খুব শীঘ্রই এক সুন্দরী মেয়ের সাথে তোমার দেখা হবে। মেয়েটি তোমার সম্পর্কে সবকিছু জানে।
ব্যাঙ: চমৎকার! তার সঙ্গে আমার কোথায় দেখা হবে? পার্টিতে নাকি অন্য কোথাও?
জোতিষী : না! মেয়েটির বায়োলজি ক্লাশে। 
________________________________________


জেল অফিসারঃ জেলখানার ভেতর যারা আছে তারা সবাই ভীষন দুর্দান্ত চরিত্রের মানুষ। তুমি কন্ট্রোল করতে পারবেতো ?
চাকরি প্রার্থীঃ পারবনা মানে, বেশি তেড়িবেড়ি করলে ঘাড় ধরে বের করে দেব। 
________________________________________


রাজাঃ ধরো, আমি যদি স্থান পরিবর্তন করি। তুমি বসবে আমার ওই সিংহাসনে আর আমি বসব তোমার জায়গায়।
মন্ত্রীঃ না মহারাজ, সেটা সম্ভব নয়।
রাজাঃ কেন? তোমার কি রাজা সাজতে লজ্জা হয়?
মন্ত্রীঃ না, রাজা হতে লজ্জা হবে না, কিন্তু লজ্জা পাব আপনার মতো একটা নির্বোধকে আমার মন্ত্রী হতে দেখে! 
________________________________________


এক লোক একটি পুরানো জিনিসের দোকানে (এন্টিক শপ) গিয়েছে কিছু কিনতে। একটা পাথরের মূর্তি তার নজরে পড়ল যেখানে একজন যোদ্ধা একটা ঘোড়ার উপর বসে আছে। কিন্তু মূর্তিটা অনেক পুরানো, তাই এর অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে। হাতের তলোয়ারটা আধা ভাঙ্গা, যোদ্ধার নাকটা পর্যন্ত কিছুটা ভেঙ্গে গেছে। মাথায় পড়া হেলমেটের অবস্থাও খারাপ। মূর্তির উপর এক জায়গায় খোদাই করে লেখা "বিজয়ী" ।
তাই দেখে লোকটা আতকে উঠে বলল, "হায় হায়! এই যদি হয় বিজয়ীর অবস্থা তাহলে পরাজয়ীর অবস্থা না জানি কি?" 
________________________________________


গাইড নায়াগ্রা জলপ্রপাত এর সামনে এসে তার অনুসারীদেরকে উদ্দেশ্য করে বলল।
গাইডঃ এটা হলো নায়াগ্রা জলপ্রপাত, যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী জলপ্রপাত। প্রতিদিন প্রচুর লোক আসে এটাকে দেখতে। এটার আওয়াজ ২০ কিলোমিটার দূর থেকেও স্পষ্ট শোনা যায়।
এই বলে গাইড একটু থেমে বললো, "এবার আমি আমাদের মহিলা অনুসারীদের উদ্দেশ্যে বলছি। আপনারা একটু নিরবতা পালন করুন, যাতে আমরা এর শব্দ শুনতে পাই।" 
________________________________________


টিনা রাস্তা দিয়ে হাঁটছে।
পাখির দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় একটা খাঁচার তোতাপাখি তাকে দেখে বললো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুত্সিত!'
টিনা চটে গেলেও কিছু বললো না, পাখির কথায় কী আসে যায়?
পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও একই ঘটনা ঘটলো, পাখিটা বলে উঠলো, 
'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুত্সিত!'
টিনা দাঁতে দাঁত চেপে হজম করে গেলো।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময়ও পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু, আপনি দেখতে খুবই কুত্সিত!'
এবার টিনা মহা চটে দোকানের ম্যানেজারকে হুমকি দিলো, সে মাস্তান লেলিয়ে এই দোকানের বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। ম্যানেজার মাপ চেয়ে বললো, সে এর বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাখিটা আর এমন করবে না।
তার পরদিন সেই দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় পাখিটা বলে উঠলো, 'অ্যাই আপু!'
টিনা থমকে দাঁড়িয়ে পাখির মুখোমুখি হলো, 'কী?'
পাখিটা বললো, 'বুঝতেই তো পারছেন।'
________________________________________


একটা বিমানে ৪ জন লোক ছিল। এক রাজনীতিবিদ, পাইলট, এক শিক্ষক ও তার ছাত্র। পথিমধ্যে বিমানের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে গেলো।
তখন পাইলট সবাইকে বলল, "আমাদের বিমানের পাখা নষ্ট হয়ে গেছে। এখন আমাদের প্যারাসুট দিয়ে নামা ছাড়া উপায় নেই।"
তখন রাজনীতিবিদ সবার অলক্ষে প্যারাসুট রাখার রুমে ঢুকে প্যারাসুট নিয়ে নেমে গেল।
আর পাইলট গেলো দ্বিতীয় প্যারাসুটটা নিয়ে।
তখন শিক্ষক ছাত্রকে বলল, "তুমি যাও। আমার তো বয়স হয়েছে। আমি এমনিতেই মরব।"
তখন ছাত্র বলল, "না স্যার, আপনার মরতে হবে না। প্যারাসুট দুইটাই আছে।"
শিক্ষক বলল, "কীভাবে?"
ছাত্র বলল, "রাজনীতিবিদের চিন্তাটাকে আমি প্রথমেই বুঝতে পেরেছি। তাই আগে আগে প্যারাসুটের রুমে ঢুকে প্যারাসুটগুলোকে সরিয়ে ফেলে তার যায়গায় কিছু বস্তা রেখে দিয়েছি। রাজনীতিবিদ সেই বস্তা নিয়ে লাফিয়ে পড়েছে।" 
________________________________________


খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, এরশাদ ও একজন নাগরিক প্লেনে করে একজায়গায় যাচ্ছিল।
খালেদা জিয়া হঠাত বলল, "আমি বাংলাদেশের ১ জন নাগরিককে সুখি করতে পারব।"
সবাই বলল, "কিভাবে???"
খালেদা জিয়া বলল, "আমি যদি একটা ১০০ টাকার নোট এখান থেকে ফালাই তবে সেটাকে একজন নাগরিক পাবে। সুতরাং সে খুশি হবে।
শেখ হাসিনা বলল, "তাহলে আমি দশজনকে খুশি করতে পারব দশটা ১০০ টাকার নোট ফেলে।"
এবার এরশাদ বলল, "তাহলে আমি একশজনকে খুশি করতে পারব একশটা ১০০ টাকার নোট ফেলে।"
এবার সেই নাগরিক বলল, "আমি গোটা দেশকে খুশি করতে পারব।"
সবাই বলল, "কিভাবে???"
নাগরিক বলল, "আপনাদের তিনজনকে বিমান থেকে ফেলে দিয়ে।" 
________________________________________


জনৈক ব্যাক্তি রিকসা খুঁজছেন। পাওয়ার পর বললেন যে তিনি কোথায় যাবেন। শুনে রিকসাওয়ালা বললেন, যাব, তবে ৩৫ টাকা দিতে হবে। শুনে লোকটি বলল, বিশ টাকায় যাবে।তখন রিকসাওয়ালা বলল, যাব, যদি আপনি রিকসা চালান আর আমি বসে থাকি তাহলে অবশ্যই বিশ টাকায় যাব। 
________________________________________


১ম বন্ধু : জানিস আমাদের বাড়ির সবাই বাথরুমে গান গায় ।
২য় বন্ধু : স-বা-ই ?
১ম বন্ধু : চাকর-বাকর পর্যন্ত।
২য় বন্ধু : তোরা তাহলে সবাই গানের ভক্ত ।
১ম বন্ধু : দুর, তা নয় , আসলে আমাদের বাথরুমের ছিটকিনিটা নষ্ট তো ............ 
________________________________________


এক ভদ্রলোক হোটেলে খেতে বসে বিরক্ত হয়ে বেয়ারাকে ডাকলেন �
ভদ্রলোক : এই যে, শোন এ কি খাবার দিয়েছ ?
বেয়ারা : কেন স্যার ! কোন গোলমাল হয়েছে?
ভদ্রলোক : গোলমাল মানে ! আরে এ খাবার তো একেবারে গাধার খাদ্যের অযোগ্য !!
বেয়ারা : গাধার যোগ্য খাদ্য তো এই হোটেলে পাবেন না স্যার । আপনাকে না দিতে পাবার জন্য দু:খিত।

---------------------------------------------------------------------

মিলিটারিদের সাহস পরীক্ষা করছে তাদের প্রধান। এক মিলিটারিকে দুরে দাঁড় করিয়ে রেখে মাথায় লেবু রেখে বন্দুক দিয়ে সেই লেবুটিকে গুলি করল। মিলিটারিটি একদম নড়ল না। লেবুটি ফেঁটে গিয়ে তার শার্টটিকে নষ্ট করে দিল।
তাদের প্রধান তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বলছে- �সাবাস, এই টাকা দিয়ে সাবান কিনে শার্টটি ধুঁয়ে নিও�।
মিলিটারিটি বলল - �তাহলে আরোও ৫০ টাকা দিন, প্যান্টটিও ধুঁতে হবে�।