Friday, August 28, 2009

ছাত্র-শিক্ষক

বড় হয়ে আমি যা হতে চাই� রচনা লিখতে দিয়েছেন শিক্ষক। তিনি হঠাৎ খেয়াল করলেন, সবাই লিখলেও একটা ছেলে চুপচাপ বসে আছে।
শিক্ষক : কী ব্যাপার? তুমি কিছু লিখছ না কেন?
ছাত্র : আমারটা আমার পিএস লিখবে, স্যার।
শিক্ষক : মানে।
ছাত্র : মানে স্যার, আমি বড় হয়ে মন্ত্রী হতে চাই। আর মন্ত্রীদের সব বক্তব্যই তো তাদের পিএসরা লিখে দেন। 
________________________________________


ম্যাডাম সাহিত্যের ক্লাসে টেস্ট নিতে গিয়ে ছাত্রদের বললেন, তোমরা এমন একটা ছোট গল্প লেখ, যাতে একই সংগে রহস্য, যৌনতা, রাজকীয়তা, ধর্মীয় আবেশ সবই থাকে। সময় ২০ মিনিট।

২ মিনিট যেতে না যেতেই একজন হাত তুলে বললো, ম্যাডাম আমার শেষ এত কম সময়ে শেষ দেখে ম্যাডাম তো রীতিমত অবাক।

ম্যাডাম: যে চারটা বিষয় বলেছিলাম তার সবগুলো তোমার গল্পে আছে তো?
ছাত্র: জ্বী ম্যাডাম।
ম্যাডাম:তোমার গল্প পড়ে শোনাও দেখি।
ছাত্র: ওহ আল্লাহ, রাজকুমারী আবার প্রেগন্যান্ট! কে করলো আকামটা!!! 
________________________________________


শিক্ষক ছাত্র-ছাত্রীদের বলছেন কে কি হতে চায় ভবিষ্যতে-
রানা: আমি পাইলট হতে চাই।
সুমিত: আমি ডাক্তার হতে চাই।
দীপা: আমি একজন ভালো মা হতে চাই।
সুমন: আমি দীপাকে সাহায্য করতে চাই। 
________________________________________


শিক্ষকঃ বল ফোর্ড কি?
ছাত্রঃ গাড়ী স্যার।
শিক্ষকঃ তাহলে বল, অক্সফোর্ড কি?
ছাত্রঃ উঁ...ঊঁ...গরুর গাড়ী স্যার। 
________________________________________


শিক্ষকঃ ধ্রুব, বলতো এসিসি (ACC) তে কী হয়?
ধ্রুবঃ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল।
শিক্ষকঃ ভালো । এবার অয়ন বলতো বিবি (BB) তে কী হয়?
অয়নঃ বাংলাদেশ ব্যাংক, স্যার।
শিক্ষকঃ খুব ভাল , নন্দদুলাল তুমি এবার বলতো ইএসপিএন (ESPN)-এ কী হয়?
নন্দদুলালঃ সারা দিন শুধূ খেলা হয়, স্যার। 
________________________________________


বাচ্চাদের স্কুলের টিচার মিস তানিয়া একদিন ছুটির পর ছোট্ট বাবুকে দাঁড় করালেন।
এক মিনিট দাঁড়াও ছোট্ট বাবু। চশমার ওপর দিয়ে চাইলেন তিনি। তোমার হোমওয়র্ক তো খুব খারাপ হচ্ছে কদিন ধরে। তোমার কি কোন সমস্যা হচ্ছে?
ছোট্ট বাবু মাথা ঝোঁকালো। জ্বি টিচার। আমি প্রেমে পড়েছি।
মিস তানিয়া মিষ্টি হাসলেন। কার প্রেমে পড়েছো?
আপনার, মিস তানিয়া। আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই।
কিন্তু ছোট্ট বাবু, নরম গলায় বললেন মিস তানিয়া, ভেবে দ্যাখো ব্যাপারটা কেমন বোকাটে হবে? নিশ্চয়ই আমি একদিন কাউকে স্বামী হিসেবে চাইবো � কিন্তু আমি তো কোন বাচ্চা চাই না।

ভয় পাবেন না মিস। আশ্বাস দিলো বাবু। সেক্ষেত্রে আমি কনডম ব্যবহার করবো।
________________________________________

ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলছে, টিচার টিচার, আমার আম্মু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?
টিচার বললেন, তোমার আম্মুর বয়স কত সোনা?
পিচ্চি বললো, চল্লিশ।
টিচার বললেন, হ্যাঁ, তোমার আম্মু প্রেগন্যান্ট হতে পারবেন।
পিচ্চি এবার বললো, আমার আপু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?
টিচার বললেন, তোমার আপুর বয়স কত সোনা?
পিচ্চি বললো, আঠারো।
টিচার বললেন, হ্যাঁ, তোমার আপু প্রেগন্যান্ট হতে পারবে।
পিচ্চি এবার বললো, আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো?
টিচার হেসে বললেন, তোমার বয়স কত সোনা?
পিচ্চি বললো, আট।
টিচার বললেন, না সোনা, তুমি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে না।
এ কথা শোনার পর পেছন থেকে ছোট্ট বাবু পিচ্চিকে খোঁচা দিয়ে বললো, শুনলে তো? আমি তো তখনই বলেছি, আমাদের চিন্তা করার কিছু নেই।
________________________________________


প্রফেসর শেষ ক্লাসে ঘোষণা করলেন, পরশু পরীক্ষা। কেউ কোনও অজুহাত দিয়ে পার পাবেন না। তবে নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু কিংবা মারাত্মক শারীরিক অসুস্থতা হলে ভিন্ন কথা।
পেছন থেকে এক ফাজিল ছোকরা বললো, মাত্রাতিরিক্ত সেক্সজনিত ক্লান্তি হলে কি চলবে স্যার?
ক্লাসে হাসির হুল্লোড় পড়ে গেলো। শব্দ থামার পর প্রফেসর বললেন, উহুঁ, সেক্ষেত্রে তুমি অন্য হাতে লিখবে। 
________________________________________


এক শিক্ষক ক্লাসে ছাত্রদের জিজ্ঞেস করেন - এমন জিনিষের নাম বল তো যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিতি হয় ।
ছাত্র- চুল
শিক্ষক - কিভাবে ?
ছাত্র- মাথায় আমরা বলি চুল , চোখের উপরে থাকলে বলি ভ্রু, ঠোটের উপরে থাকলে বলি গোফ , গালে ও চিবুকে থাকলে বলি দাড়ি । বুকে থাকলে বলি লোম এবং ......
শিক্ষক- সাবধান আর নিচে নামিস না �
________________________________________


অংকের ক্লাস চলছে
শিক্ষক : বল তো, আমাদের অংক ক্লাসে সবচেয়ে ফাঁকিবাজ কে?
ছাত্র : আপনি স্যার।
শিক্ষক : কী বলছিস?
ছাত্র : আমরা যখন অংক করি তখন তো আপনি হাত গুটিয়ে বসে থাকেন। 
________________________________________


শিক্ষক : বাতাস, নদী এবং পানি এই তিনটির যে কোন একটি ওপর ২০ লাইন রচনা লিখ।
ছাত্র : এসব কি বলছেন স্যার? আমি তো কাগজের ওপর ছাড়া অন্য কারও ওপর লিখতে পারি না, স্যার!!! 
________________________________________


শিক্ষক: বল, আকবরের জীবনকাল কত সাল থেকে কত সাল পর্যন্ত?
ছাত্র: পারিনা স্যার। এটা বইয়ে নেই।

শিক্ষক বই খুললেন, সেখানে লেখা---আকবর (১৫৪২-১৬০৫)
ছাত্র: স্যার, আমি ভেবেছিলাম ওটা আকবরের ফোন নাম্বার। 
________________________________________



যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে.......
শিক্ষকঃ আমি এই চেয়ারটাকে ছুলাম। চেয়ারটা মাটি ছুয়েছে। তারমানে আমি মাটি ছুয়েছি। এবার এরকম আরেকটা উদাহরণ দাও দেখি।
ছাত্রঃ আমি আপনাকে ভালবাসি। আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন। তারমানে আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি। 
________________________________________

আলাল দুলালকে জিজ্ঞেস করছে, "কিরে, তুই নাকি গতকালকে সবার সামনে স্বীকার করেছিস তুই গাধা"
দুলাল বলল, "না, স্যার ক্লাসে এসে বললো কে কে গাধা দাড়াও?"
আলাল, "তারপর?"
দুলাল, "স্যার একা দাড়িয়ে ছিলোতো তাই ভালো দেখাচ্ছিলো না। তাই আমিও দাঁড়ালাম। 
________________________________________


শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন.....
শিক্ষকঃ আচ্ছা, বলতো Grammar কাকে বলে?
–ছাত্রঃ যারা গ্রামে থাকে তাদেরকে Grammar বলে। বাংলাদেশের গ্রামে
যারা থাকে তাদেরকে বাংলা Grammar এবং বিদেশের গ্রামে যারা থাকে তাদেরকে ইংলিশ Grammar বলে, স্যার। 
________________________________________


একদিন এক বিদ্যালয়ে শিক্ষক তার ছাত্র-ছাত্রীদের গরু আঁকতে দিলেন। সবাই গরু এঁকে খাতা জমা দিল। এক ছেলে জমা দিল একটা খালি কাগজ।
শিক্ষক কাগজটা দেখে বলল, "এটা কি এঁকেছিস?"
ছাত্র বলল, "স্যার, ঘাস এঁকেছিলাম।"
শিক্ষক বলল, "ঘাস কই?"
ছাত্র বলল, "স্যার, গরুতে খেয়ে ফেলেছে।"
শিক্ষক বলল, "তাহলে গরু কই?"
ছাত্র বলল, "স্যার, গরুতো ঘাস খেয়ে চলে গেছে।" 
________________________________________


ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে সুন্দরী শিক্ষিকা চাকুরিতে যোগ দিলেন। পড়াতে গিয়েই টের পেলেন,যুগের ছেলেরা পাল্টেছে, অতি স্মার্ট ডিজুস পোলাপান নিয়ে ম্যাডামের বেকায়দা অবস্থা। প্রথম গ্রেডে সদ্য ভর্তি হওয়া রাজু তো বলেই বসলো, ম্যাডাম,আমি কোনো অবস্থাতেই প্রথম গ্রেডে পড়বোনা। কারণ,প্রথম গ্রেডের সব পড়ালিখা আমি অনেক আগেই শেষ করে ফেলেছি। এমনকি আমার বড় বোন যে ৩য় গ্রেডে পড়ে ,আমি ওর চেয়ে ও স্মার্ট।কাজেই মিনিমাম ,আপনি আমাকে ৩য় গ্রেডে পড়ার সুযোগ করে দিন।
ম্যাডাম,রাজুকে নিয়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমে গেলেন।সব খুলে বললেন।
প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, ঠিক আছে,আমি তোমাকে দুয়েক টা প্রশ্ন করবো, যদি তুমি ঠিক ঠিক উত্তর দিতে পারো ,তবে তোমাকে উপরের ক্লাশে প্রমোশন দেয়া হবে।
প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, আচ্ছা বলতো রাজু, ৩ গুন ৩ = কত?
রাজুর জটপট জবাব, স্যার , নয়।

আচ্ছা বলতো ৮ গুন ৮ সমান কত?
এবারও রাজুর জবাব স্যার ৬৪।
প্রিন্সিপাল স্যার ম্যাডামকে বললেন, রাজুকে উপরের ক্লাসে প্রমোশন দেয়া যায়।

রুপবতি ম্যাডাম এবার প্রিন্সিপাল স্যার কে বললেন, স্যার আমারও কিছু প্রশ্ন ছিলো, যদি আপনি অনুমতি দেন,আমিও একটু ওর মেধা যাচাই করি।
প্রিন্সিপাল স্যার এবার মাথা নেড়ে সায় দিলেন।

ম্যাডাম ,রাজুকে প্রথম প্রশ্ন করলেন-আচ্ছা রাজু বলতো,গাভীর চারটা আছে,কিন্ত আমার আছে দুটো। সে টা কি?
রাজু চুপচাপ চিন্তা করছে,আর মিটিমিটি হাসছে।
ম্যাডাম বললেন,লজ্জা পাবার দরকার নেই রাজু। তুমি সঠিক জবাব দিও।
রাজু বললো, ম্যাডাম,এটা হলো-আপনার দুই পা।

ম্যাডাম এবার ২য় প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা এবার বলতো, তোমার প্যান্টের ও জায়গায় আছে,আর আমার তা নেই সেটা কি?
রাজু লাজে হাসে।
ম্যাডাম বলেন,লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই রাজু।
রাজু বলেন,ম্যাডাম এটা হলো,আমার প্যান্টের পকেট।

ম্যাডামের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা, বলতো,এমন একটি শব্দ যা ইংরেজে লেটার
C দিয়ে শুর আর T দিয়ে শেষ। জিনিসটা গোলাকার,ডিলিশাস,ভেতরে ভেজা ভেজা, আর নরম,যা পেলে সবাই তৃপ্ত হয়।
প্রশ্ন শুনে প্রিন্সিপাল স্যারের চোখ বড় বড় হয়ে গেলো।কি বলবেন ভেবে পাচ্ছেন না।চেহারা পুরো লাল হয়ে গেছে।
রাজ বললো, ম্যাডাম এটা হলো Cocunut.

ম্যাডের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা এবার বলোতো, যা খুব শক্ত হয়ে কারো ভিতরে ঢুকে,আর নরম,ভেজা,আঠালো হয়ে বের হয়ে আসে?
রাজুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো বাবল গাম।

ম্যাডামঃআচ্ছা এবার বলোতো, কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যে শব্দ শুনলেই শরীরে যথেষ্ট উত্তাপ আর উত্তেজনা শুরু হয়-
এ প্রশ্ন শুনে প্রিন্সপাল স্যারের আবারো, লজ্জাকর অবস্থা ।
কিন্ত রাজুর উত্তর ,ম্যাডাম এটা হলো Fire Truck.

ম্যাডামঃ বলোতো কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যা মানুষ না পেলে হাত ব্যবহার করে।
রাজুর জবাব-ম্যাডাম এটা হলো-Fork.

ম্যাডামঃ রাজু বলতো সোনা,এ জিনিসটা কারো লম্বা, আবার কারো ছোট, একেক জনের একেক সাইজের হয়।বিয়ে করার পর জামাই আদর করে বউকে দিয়ে থাকে।
রাজুর জবাব--ম্যাডাম এটা হলো ডাকনাম।

ম্যাডামঃ রাজু বলতো এটা পুরুষের শরীরে কোন অংশ যেখানে কোনো হাড় নেই,তবে অনেক শিরা আছে,এক রকমের মাংসপিন্ডের সমষ্টি,উত্তেজনাকর অবস্থায় বেশী অনুভূত হয়।বিশেষ করে যা দিয়ে ভালোবাসা বাসি বুঝা যায়।
রাজুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো হার্ট বা হৃদয়।

শুনার পর প্রিন্সিপাল স্যার যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। ম্যাডাম কে বললেন ওকে ৮ গ্রেডেই প্রমোশন দেয়া হোক। কারণ শেষের কয়েকটি প্রশ্নের জবাব আমি নিজেই ভুল করেছি। 

No comments:

Post a Comment